ঢাকা, বুধবার, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২২ নভেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা

ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৫-১৯ ৯:১১:৫৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৫-১৯ ৯:১১:৫৯ পিএম

নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় হামলা চালিয়ে গ্রেপ্তারকৃত আসামিসহ জব্দ করা ভারতীয় মালামাল লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতের এ ঘটনায় নামীয় আটজনসহ অজ্ঞাত আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। হামলা এবং লুটে চোরাকারবারিদের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী জড়িত ছিল জানিয়েছে পুলিশ।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা-নীলফামারী চলাচলকারী আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে চোরাইপথে ভারত থেকে আসা কিছু কাপড় জব্দ করে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ। এ সময় আলী হীরা ও ফুলমনি নামের দুই চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনা জানাজানি হলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন চোরাকারবারি সৈয়দপুর রেলওয়ে থানায় গিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের এবং জব্দকৃত কাপড় ছিনিয়ে নেয়। এ সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে চোরাকারবারিরা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিন নারী কনস্টেবলসহ পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হন।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার কনস্টেবল সুচিত্রা রায় বলেন. রাতে হঠাৎ করে চোরাকারবারিদের সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা থানায় হামলা করে আসামি ও জব্দকৃত মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান। এতে তিনিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

রাতেই সৈয়দপুর পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়দুর রহমান শাহীন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম টিটু ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন গুড্ডুসহ আটজনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ওই থানার এটিএসআই হাফিজুর রহমান।

সৈয়দপুর রেলওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার ফিরোজ আহমেদ হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

 

রাইজিংবিডি/নীলফামারী/১৯ মে ২০১৭/ইয়াছিন মোহাম্মদ সিথুন/বকুল

Walton