ঢাকা, শুক্রবার, ৭ আশ্বিন ১৪২৪, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

সিরাজগঞ্জে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদমন্ত্রী

অদিত্য রাসেল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-১৭ ৩:০৯:০৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-১৭ ৩:০৯:০৫ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকায় নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধের ভেঙে যাওয়া রিং বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

সোমবার সকালে পরিদর্শনের পর গণমাধ্যমকর্মীদের মন্ত্রী বলেন, বন্যায় নদী এলাকার আশপাশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় এবং নিরাপত্তায় থাকতে পারে, সরকার সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আর যারা নদী তীরে এবং বাঁধের অভ্যন্তরে বসবাস করে বন্যার সময় তাদের কিছুটা সমস্যা সইতে হবে।

তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষকে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় সিমলা থেকে খুদবান্দি পর্যন্ত এলাকায় সাড়ে চারশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একনেক মিটিংয়ে প্রকল্পটি পাস হওয়ায় পর এ বছরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

পাশাপাশি ভাঙনকৃত রিং বাঁধ ও তৎসংলগ্ন পুরাতন নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধও আরো শক্তিশালী করা হবে। আর বাঁধ নির্মাণে পাউবোর যদি কোনো গাফিলতি থাকে সেটি বিভাগীয়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত মহা-পরিচালক মোসাদ্দেক হোসেন, রাজশাহী জোনের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী, বগুড়ার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল শিং, সিরাজগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক আবু ইউসুফ সূর্য্য, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কে.এম হোসেন আলী হাসান, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহম্মেদ ও সিরাজগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দিনদিন চেষ্টার পর বাহুকা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ রিং বাঁধের ভাঙা অংশে সংস্কার করে রোববার সন্ধ্যায় পানি প্রবাহ বন্ধ করেছে পাউবো ও সেনাবাহিনী। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাঁধটির ২০ মিটার এলাকা যমুনার পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে মুহূর্তের মধ্যেই তা লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। এরপর রাত ২টা থেকে পাউবো এবং সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের ৪৫ সদস্যের একটি টিম ভাঙন স্থানে বাঁশের পাইলিং, বালি ভর্তি জিওব্যাগ ও পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করে ভাঙন স্থান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

পাউবোর গাফিলতির কারণেই বাঁধে ভাঙন দেখা দেয় বলে শুরু থেকেই অভিযোগ করছে ভাঙনের কারণে প্লাবিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীরা। বাঁধ ভাঙার কারণে আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করায় ১০ হাজার মানুষ, রাস্তাঘাট, স্কুল, মাদ্রাসা ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

 

রাইজিংবিডি/সিরাজগঞ্জ/১৭ জুলাই ২০১৭/অদিত্য রাসেল/রুহুল

Walton Laptop