ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

গঙ্গা ঘাটের দেব নগরী

ইকরামুল হাসান শাকিল : হরিদ্বারের গলিগুলো আমাদের পুরান ঢাকার শাঁখারিবাজারের মতো। চাপা গলি, গলির দু’পাশে দোকান।

ছোটনাগপুর মালভূমির পরেশনাথ

ইকরামুল হাসান শাকিল : রাত সাড়ে বারোটার দিকে ট্রেন প্লাটফর্মে এলো। ট্রেনে উঠে আমাদের সিট খুঁজে পেতে কষ্ট হলো। আমাদের দুই জনেরই এসি লোয়ার স্লিপার সিট।

পর্যটকদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতায় প্রচারাভিযান

ভ্রমণ ডেস্ক: কক্সবাজারে পর্যটকদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতায় প্রচারাভিযান করেছেন পরিবেশকর্মী গাজী মুনছুর আজিজ।

আকাশ ছুঁয়ে দ্রৌপদী কা ডান্ডা: সূচনা পর্ব

ইকরামুল হাসান শাকিল: পঞ্চস্বামীর গর্বিত স্ত্রী ছিলেন দ্রৌপদী। মহাভারতের কবি ব্যাসদেব তাঁকে তুলনা করেছেন নীলকান্ত মণির সাথে।

বন্ধু স্মরণে একক ম্যারাথন

গাজী মুনছুর আজিজ: লাবনী সৈকত পয়েন্ট থেকে সাত অক্টোবর যখন একা ম্যারাথন শুরু করি, ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল ছয়টা ছুঁয়েছে। পূব আকাশে সূর্য কেবল উঠছে।

পাহাড়ি ঝিরি পথে রোদ মেঘের লুকোচুরি

ইকরামুল হাসান শাকিল : বর্ষা এলেই মন ছুটে যায় ঝরনার কাছে। কখন যাবো, কখন যাবো? মন অস্থির হয়ে ওঠে।

ভিয়েতনামের পথে: শেষ পর্ব

ফেরদৌস জামান: মেঘেদের অনড় অবস্থানের পরিবর্তন আজ আশাতীত। কোলের মধ্যে এসেও দেখা গেল না মাউন্ট আগুং আগ্নেয়গিরির সুস্পষ্ট চেহারা।

এমন লক্ষ্মী পর্যটক আর হয় না

(ভিয়েতনামের পথে: ৪৪তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশক নীরব থাকার পর গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে হঠাৎ ফুঁসে ওঠে মাউন্ট আগুং আগ্নেয়গিরি।

আবার যদি ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণের সুযোগ পাই

(ভিয়েতনামের পথে: ৪৩তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: পথের পাশ দিয়ে ঘরবাড়ি এবং তার সামনে দেবদারু ও কাঠগোলাপ বা কাঁঠালচাপা জাতীয় গাছের সারি।

মেয়েরা ঠিক যেখানে টিপ পরে

(ভিয়েতনামের পথে: ৪২তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: দুই জনের মাথায় দুইটি হেলমেট, ফুটফুট শব্দে এগিয়ে চলছে আমাদের স্কুটি। এই ফুটফুটির স্বপ্ন সেই থাইল্যান্ডের পাই থেকে।

লাল শাপলার সাতলা বিল

খায়রুল বাশার আশিক : একটি পিচঢালা পথ চলে গেছে গ্রামের শেষ মাথায়। পথের একপাশে সন্ধ্যা নদী, অন্যপাশে লাল শাপলার গালিচা।

এক ডাবের মূল্য তের হাজার রুপাইয়া

(ভিয়েতনামের পথে: ৪১তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: আজ কোনো তাড়া নেই। সব কিছুর আগে চাই ঝরঝরে একটা গোসল। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া এই তিন দেশের মধ্যে একটি বিষয়ে দারুণ মিল আছে, যে মিল খুঁজতে হলে প্রবেশ করতে হবে গোসলখানায়।

একশ ডলার ভাঙিয়ে পেলাম তের লাখ সাতচল্লিশ হাজার...

(ভিয়েতনামের পথে: ৪০তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: বিমান সময় মতো ছেড়ে দিলো এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই গোলযোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পড়লাম। এক পেয়ালা কফির কথা বলে মাত্র প্রস্রাবখানায় গিয়েছি অমনি কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেল।

মালয়েশিয়ায় দুষ্কর্মে বাঙালির বদনাম

(ভিয়েতনামের পথে: ৩৯তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: তাড়াহুড়ো নেই, হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে। তাছাড়া এই বিলাসবহুল এলাকা বা দালানকোঠা দেখে বেড়ানোর ইচ্ছাটাও অতো প্রবল নয়।

মালয়েশিয়ায় রসগোল্লার খোঁজে

(ভিয়েতনামের পথে: ৩৮তম পর্ব)

ফেরদৌস জামান: ভ্রমণ পরিকল্পনার শুরুর দিক থেকেই মনের মধ্যে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছিল- মালয়েশিয়াতে ঢুকতে পরব তো? পত্র-পত্রিকায় এ বিষয়ে লেখালেখিও হয়েছে বেশ।