ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪২৪, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Risingbd
অমর একুশে
সর্বশেষ:

মাগুরায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে থাই-৫ পেয়ারার আবাদ

মো. আনোয়ার হোসেন শাহীন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-০৫ ১১:০৬:১০ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-১৩ ১১:৫৭:২৫ এএম

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ব্যাগিং পদ্ধতিতে কীটনাশক ও ফরমালিনমুক্ত পেয়ারার আবাদ। থাই-৫ জাতের  বারোমাসি  এই পেয়ারা চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক। বাজারেও এই পেয়ারার চাহিদা বেশ। ভাল ফলন হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাজারজাত হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

জেলার বিভিন্ন মাঠেই এখন  থাই-৫ জাতের বারোমাসি পেয়ারার প্রচুর আবাদ দেখতে পাওয়া যায় । কৃষি বিভাগের হিসাব মতে, জেলার প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে এই পেয়ারা চাষ হচ্ছে। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া  উপযোগী হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে এর চাষের পরিধি।

সদরের শিবরামপুরের দিদারুল ইসলাম, হাজিপুরের রবিউল ইসলাম, হেমন্ত বিশ্বাস, আঠারখাদার মইফুল বেগমসহ একাধিক কৃষক জানান, থাই-৫জাতের এ পেয়ারার ফলন প্রচুর। গাছে গুটি মাঝারি আকারে আসার পরই পলিথিনের ব্যাগে ঢেকে ব্যাগিং পদ্ধতিতে উৎপাদন করায় কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। ফলে বিষমুক্ত সুস্বাদু এ পেয়ারা চাহিদাও প্রচুর।

বর্তমানে তা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। পাইকারি বাজারে প্রতিমন পেয়ারা ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি একরে বছরে প্রায় ১০লাখ টাকার পেয়ার বিক্রি করছেন এসব কৃষক। যা অন্যান্য কৃষির আবাদ থেকে অনেক বেশি লাভজনক।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মাগুরার উপ-পরিচালক পার্থ প্রতীম সাহা জানান, বাংলার আপেল নামে পরিচিত এ পেয়ারা অত্যন্ত পুষ্টিমান সম্পন্ন। এর ব্যাপক উৎপাদন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এটি ভাল ভূমিকা রাখছে। থাই পেয়ারা চাষে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। 



রাইজিংবিডি /মাগুরা/ ৫ জুলাই ২০১৭/ মো. আনোয়ার হোসেন শাহীন/টিপু

Walton
 
   
Marcel