ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ মে ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

বাম্পার ফলনেও হাসি নেই রসুন চাষীদের

মো. মনিরুল ইসলাম টিটো : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৩ ৩:২৮:২৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৬-০৪ ৪:২৪:০০ পিএম
Walton AC

ফরিদপুর প্রতিনিধি : চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় রসুনের বাম্পার ফলন হলেও হাসি নেই কৃষকের মুখে।

জেলার কৃষকদের দাবি, ফলন ভালো হলেও বাজারে রসুনের ন্যায্য মূল্য না থাকায় প্রত্যাশানুযায়ী লাভবান হতে পারবেন না তারা। আর কৃষি বিভাগ বলছে, মূল্য ধরতে রসুন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করার কথা।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বছর জেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে রসুনের চাষ হয়েছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে।

জেলার বোয়ালমারী, মধুখালী, ভাঙ্গা, নগরকান্দা, সালথা, সদরপুর, চরভদ্রাসন ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকেরা জানান, চলতি বছর বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বিনা চাষে রসুনের চাষ  করেন তারা। ফলনও ভালো হয়েছে। বর্তমানে কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন রসুন তোলার কাজে। বসে নেই কৃষাণীরাও। তারাও রসুন কাটা, ধোয়া, শুকানো ও সংরক্ষণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 



কৃষকদের দাবি, রসুন উৎপাদনে প্রতি মণ খরচ হয়েছে ছয় থেকে সাতশ টাকা। কিন্তু পাইকারী বাজারে বর্তমানে প্রতি মণ রসুন বিক্রি হচ্ছে সাত থেকে আটশ টাকায়। এতে প্রত্যাশিত লাভ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

চরমাধবদিয়া এলাকার কৃষক জুয়েল মল্লিক জানায়, চলতি মৌসুমে রসুনের ভালো ফলন পেয়েছেন তিনি। কিন্তু মূল্য না থাকায় হতাশ এই কৃষক।

তিনি বলেন, রসুনের দাম না-পেলে পরবর্তী ফসল চাষে যাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।

সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, এখন রসুনের দাম কিছুটা কম হলেও বেনি পদ্ধতিতে রসুন সংরক্ষণ করে রাখলে এবং কিছুদিন পর বাজারে মূল্য বাড়লে বিক্রি করলে কৃষক লাভবান হবে। তিনি জানান, রসুন সংরক্ষণে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।



রাইজিংবিডি/ফরিদপুর/১৩ এপ্রিল ২০১৮/মো. মনিরুল ইসলাম টিটো/সাইফ

Walton Laptop
     
Walton AC
Marcel Fridge