ঢাকা, শনিবার, ৭ আশ্বিন ১৪২৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

দেশেও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন ধানের চাষ হবে

আকাশ বাসফোর : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৭-০৮ ৬:০০:০৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৮-১২ ১:২৫:২৯ পিএম

শেকৃবি প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী সব বিধিমালা মেনে গোল্ডেন রাইসের পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বাজারে পাওয়া অন্য জাতের চালের মতোই নিরাপদ হিসেবে গোল্ডেন রাইসকে ব্যবহার করা যাবে।

ইতিমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে হেলথ কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ সংস্থা-ইউএসএফডিএ, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা।

রোববার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ধান শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. মো. সেকেন্দার আলী। সভাপতিত্ব করেন সাউরেস এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম।

‘বাংলাদেশে গোল্ডেন রাইসের গবেষণা অগ্রগতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) হেলদিয়ার রাইস প্রোগ্রামের বাংলাদেশে জাতীয় পরামর্শক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস।



প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, আমাদের দেশে শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের ভিটামিন-এ ঘাটতি জনিত সমস্যা যথেষ্ট প্রকট। যেহেতু ভাত আমাদের প্রধান খাদ্য, সুতরাং সেই খাদ্য গ্রহণ করলে যদি ভিটামিন-এ অভাবও দূর করা যায়। তবে বাংলাদেশের মাঠেও এই পুষ্টিকর ধানের চাষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপাচার্য।

ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, গোল্ডেন রাইসের ভাত খাওয়ার মাধ্যমে বিটা-ক্যারোটিন মানবদেহে প্রবেশ করে, যা দেহে ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার এ রাইসে অ্যালার্জিসিটি ও টক্সিসিটির প্রভাব পাওয়া খুঁজে পাওয়া যায়নি। কাজেই গোল্ডেন রাইস গ্রহণে পার্শ্বপতিক্রিয়া জনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই। এছাড়া বিটা-ক্যারোটিন একটি স্বাদহীন যৌগ বিধায় এর প্রভাবে ভাতের স্বাদেরও কোনোরকম পরিবর্তন হবে না আশা করা যায়।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৮ জুলাই ২০১৮/আকাশ বাসফোর/সাইফ

Walton Laptop
 
     
Walton