ঢাকা, শনিবার, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৫ নভেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:
একান্ত সাক্ষাৎকারে সৈয়দ হক

কাল যদি শেষ নিঃশ্বাসটি বেরিয়ে যায়

শিহাব শাহরিয়ার : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৬-০৯-২৭ ১০:৩৪:০২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-০৮ ৬:২২:৩৮ পিএম

সৈয়দ শামসুল হক। বাংলা সাহিত্যজগতে তার পরিচয় 'সব্যসাচী লেখক' হিসেবে। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটকসহ শিল্প-সাহিত্যের নানা অঙ্গনে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কবি শিহাব শাহরিয়ার। রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি পত্রস্থ করা হলো।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনার জন্ম কবে এবং কোথায়?
সৈয়দ হক : ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করি। তখন ছোট্ট একটি মহকুমা শহর ছিল। এখন তো জেলা শহর হয়েছে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনার শৈশব কোথায় কেটেছে?
সৈয়দ হক : ১২ বছর ৩ মাস বয়স পর্যন্ত কুড়িগ্রামে ছিলাম। তারপর স্কুলে পড়াশোনার জন্য ১৯৪৮ সালের মার্চে বাবা আমাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। ঢাকায় এসে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে ক্লাস নাইনে ভর্তি হই। এখান থেকে মেট্টিক পাস করি। এরপর জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হই। সেই থেকেই তো ঢাকা। মাঝে বছর আটেক লন্ডনে ছিলাম। ১৯৫১-৫২ সালে ভারতে বসবাস করেছি। এ ছাড়া আজ প্রায় ৬৫ বছর হয়ে গেল এই শহরে আছি।

 

শিহাব শাহরিয়ার : লেখালেখি কবে থেকে শুরু করেন?
সৈয়দ হক : ১৯৫১ সালের মে মাসে আমার প্রথম লেখা ছাপা হয়। তার আগে থেকেই কিছুটা লেখালেখি করতাম। তখন নিজের মতো করে খাতার পাতায় কবিতা লিখতাম। একটা আস্ত-মাস্ত উপন্যাসও লিখেছিলাম। একটা নাটকও লিখেছিলাম। তখন আমার বয়স ১৪ কিংবা সাড়ে ১৪ বছর। তবে তখনও জানি না যে আমি লেখক হবো। বা লেখক হতে চাই কিংবা লেখাই আমার একমাত্র কাজ হবে। ১৯৫২ সালের অক্টোবর নাগাদ নিজের কাছে বলা হয়ে যায়- লেখাই হবে আমার কাজ। আর আমি লিখব। সেই থেকে লিখে চলেছি।

 

শিহাব শাহরিয়ার : কোন কাগজে আপনার প্রথম লেখাটি ছাপা হয়েছিল?
সৈয়দ হক : মাসিক পত্রিকা অগত্যাতে। তখন এটি বিখ্যাত কাগজ ছিল। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৩ অব্দি খুব চটেপাটে কাগজটি চলেছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, দ্বিজাতীতত্ত্ব এগুলো যে কতটা ভুয়া- বাঙালি যে কতখানি প্রতারিত হয়েছে তা খুব মজা করে পরিহাস করে ওই কাগজে  ছাপা হতো। আর একদল তরুণ লেখক ওখানে লিখতেন। যেমন- আলাউদ্দিন আল আজাদ, আনিস চৌধুরী, ফজলে লোহানী। আমি খুব গৌরব বোধ করি যে, এই রকম একটি কাগজে আমার প্রথম লেখা ছাপা হয়।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আমরা যদি মাইকেলকে বলি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের দ্বার উদঘাটন করেছেন। তারপর বিহারীলাল। এরপর রবীন্দ্রনাথ একচেটিয়া দাপটের সঙ্গে বিচরণ করেছেন। এরপর নজরুল এবং ত্রিশের কবি। এর মধ্যে দুটি মহাযুদ্ধ হয়ে গেল। তারপর সংক্ষেপে ৪০ দশকের উজ্জ্বল কয়েকজন কবি ও কথাসাহিত্যিকের পর ঢাকাকেন্দ্রিক যে সাহিত্যের যাত্রা শুরু হলো- আপনারা সেই প্রজন্মের। আপনাদের সেই সময়ের অনুভূতিটা কী। আপনারা কী উত্তরাধিকার বহন করে যাচ্ছেন না নিজস্ব একটি ক্ষেত্র তৈরি করেছেন?
সৈয়দ হক : দুরকমই বলা যায়। আমরা বাংলা ভাষা সাহিত্যে মূল ধারায় আছি। যে যখনই লেখেছি- বা লেখতে শুরু করেছি আমরা সবাই আছি। যেটা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ মিলিয়ে। কিন্তু একটি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে আলাদা হয়ে যায় সাহিত্য। পশ্চিম বাংলায় যে সাহিত্য রচিত হচ্ছে ও বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় যে সাহিত্য রচিত হচ্ছে- এর মৌলিক তফাৎটাই এখানে।  সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র, ভিন্ন, সাহিত্য এই জন্যে যে, আমাদের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতা ভিন্নতর অন্য বাংলা ভাষীদের থেকে। কাজেই এভাবে বলা দরকার যে, লেখা তো আকাশ থেকে আসে না। মাটি থেকে, মানুষকে নিয়ে, মানুষের জীবন নিয়ে। ভাষা শুধু ভাষা নয়, ভাষার এক একটি শব্দ ইতিহাসের মধ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে। যেমন-রক্ত। এই শব্দটি পশ্চিমবঙ্গে  উচ্চারিত হয়। আর যখন বাংলাদেশে উচ্চারণ করা হয় তখন মাত্রা ব্যঞ্জনায় ভীষণভাবে অন্যরকম। তেমনিভাবে এখানে কেউ যদি ২১ কিংবা ৭১ উচ্চারণ করে তখন আবাল বৃদ্ধা সবাই জানে ২১ মানে কী। কিন্তু অন্য জায়গায় ২১ মানেই শুধুই সংখ্যা। এই রকমভাবে ভাষাও মানুষের অভিজ্ঞতাকে ধারণ করে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনার প্রথম গ্রন্থ কবে প্রকাশিত হয়?
সৈয়দ হক : ১৯৫৪ সালের নভেম্বর প্রথম গল্পের বই প্রকাশিত হয়। এতে ৭টি ছোট গল্প ছিল। বইটির নাম ছিল-দাস। তারপর দেয়ালের দেশ, এক মহিলার ছবি, অনুপম দিন প্রকাশিত হয়। তবে এর মধ্যে ১৯৬১ সালে প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয়। কবিতার বিচারে আমি চারটি বিষয় দেখব। প্রথমে- এটি কবিতা হয়েছে কিনা। যদি মনে হয় এটি কবিতা হয়েছে। তবে দেখবো- আমি আগে যে কবিতা লেখেছি আর এখন যে লিখলাম এই প্রবাহে এই কবিতার জায়গা কোথায়। আমি কী এক জায়গায় থেমে আছি না এগিয়েছি। না পিছিয়েছে, না একই কথা বারবার বলছি। তৃতীয় হলো- আমি যে বাংলা ভাষায় কবিতা লিখছি, এই বাংলা ভাষার কবিতার একটি ইতিহাস আছে। এই বাংলা ভাষার সামগ্রিক কবিতার ধারায় আমার এই কবিতা কী জায়গা পেতে পারে? একটু কি এর জায়গা আছে? সর্বশেষ হচ্ছে- এই মুহূর্তে কবিতার একটি বিশ্ব মানদণ্ড আছে। সেই বিশ্ব মানদণ্ডে আমার কবিতা যদি কেউ নিয়ে যায় সেখানে কি দাঁড়াতে পারবে আমার কবিতা? এই চারটি বিচারে যদি নিজের কাছে কিছুটা আশ্বস্ত হই তবেই আমি আমার কবিতা ছাপাতে যাই।

 

শিহাব শাহরিয়ার : একজন কবি বা লেখকের জন্য ভাষা জ্ঞান কতটা প্রয়োজন?
সৈয়দ হক : ভাষা দিয়েই তো কাজ। ছবি আঁকবে তুমি রঙ চিনবে না, গান গাইবে অথচ তুমি গলার সপ্ত স্বর কিভাবে কাজ করবে তা জানবে না। কিংবা তুমি নৃত্য শিল্পী। তবে তুমি হাতে-পায়ের মুদ্রা জানবে না। ঠিক ভাষাও তেমনি। ভাষাকেও জানতেই হবে। ভাষা জানা মানে ব্যকরণ আর অভিধান থেকে জানা নয়। ভাষার ভেতরে অনেক কিছু রয়েছে। দেখো- একটি কাক মানে শুধু কাক নয়। কাকের ভেতরে অনেক কিছু রয়েছে। একটি কাক ঘরের চালে ডাকলে মনে হয়-অশুভ। আবার ইংরেজ কবি টেডোয়িজ সিরিজও লিখেছেন। কত রকম ব্যঞ্জনা রয়েছে একটি শব্দের ভেতরে। কবিতায় এমন হয়- দুটি শব্দ পাশাপাশি বসলে একটি আরেকটির ওপর আলো ফেলে নতুন একটি অর্থ তৈরি করে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনার কতগুলো কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে?
সৈয়দ হক : ৩৫-৩৬টি। এগুলো এখন সংকলিত হয়ে- আমার কবিতা সমগ্র প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : স্বাধীনত্তোর বাংলা নাটকে আপনি একটি মাইলফলক তৈরি  করেছেন। আপনি নাটক লিখে কতটা স্বাচ্ছন্দবোধ করেছেন?
সৈয়দ হক : কবিতা, গল্প, নাটক যেখানেই কাজ করি না কেন আমি মূলত ভাষায় কাজ করি। আমি বিষয়গুলো এভাবেই দেখি। এগুলো কখনো আলাদা করে দেখি না। যেমন- যিনি ছবি আঁকেন। তিনি কখনো তেল রঙে আঁকছেন, কখনো জল রঙে আঁকছেন। যখন যে বিষটা মনের ভেতরে আসে তা বলবার জন্য সবচেয়ে ভালো যে বাহনটা মনে হয় তখন সে মাধ্যমেই লিখি। নাটকের ক্ষেত্রেও তাই করেছি। যখন মনে হয়েছে, আমার ভাবনার কথাগুলো অভিনয়ের মাধ্যমে জীবন্ত মানুষের কাছে উপস্থাপিত হবে। তখন অভিনেতা ও দর্শকের মধ্যে একটা আদান প্রদান হবে। প্রতিটি মুহূর্তে বিদ্যুতের মতো সঞ্চালিত হবে। পরস্পরের মধ্যে একটা প্রবাহ বইবে। আমার পায়ের আওয়াজ নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা। ধর্মান্ধত্বের বিরুদ্ধে লেখা। ধর্মকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে কী পরিণতি হয় তাই দেখানো হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়টি উপস্থাপন করার জন্য কবিতা, উপন্যাস, গল্প যথেষ্ট নয়। তাই ভাবলাম সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আর এই জন্য বিষয়টি আমি নাটকের মাধ্যমে উপস্থাপন করি। নুরলদিনের সারাজীবনও তাই। আজ থেকে ২৫০ বছর আগে আমার অঞ্চলের একজন সাধারণ চাষী বিপ্লবী নেতা হয়ে ওঠেছিলেন। তখন পুরো বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গসহ) পৌনে ৩ কোটি মানুষের বসবাস ছিল। সেখানে তিনি ৩৫ হাজার লোকের বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। আজকের দিনে প্রায় আড়াই লাখ লোকের গেরিলাবাহিনী তিনি গড়ে তুলেছিলেন। যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। পরাজিত হলেও তার যুদ্ধ ছিল মহান এক আদর্শের। সেই আদর্শ ছিল- গরীবের পেটে ভাত আসবে। গরীবের স্বাধীনতা আসবে। তারা তাদের অধিকার পূর্ণ মাত্রায় পাবে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : বর্তমান সময়ের তরুণ লেখকের সঙ্গে আপনার লেখার কোনো পার্থক্য খুঁজে পান কিনা?
সৈয়দ হক : আমি স্পষ্ট গলায় বলতে পারি, এদের মধ্যে প্রচুর প্রাণশক্তি আমি দেখতে পাই। নতুন নতুন পথে যাবার চেষ্টায় আছেন আজকের তরুণরা। বিশেষ করে- ছোট গল্পে ও কবিতায়। নাটকেও রয়েছে। তবে উপন্যাসে নয়। সেখানে নাবালক পর্যায়ে রয়েছে তারা। এবং এটাই হয়ে চলেছে। এটা যেন একটা ছেলেখেলা হয়ে গেছে। কোথায় সেই মনের অবলোকন, কোথায় সেই পর্যবেক্ষণ, কোথায় সেই বিশ্লেষণ? নেই। উপন্যাসের কথা ভুলে যাও। নাটকে নিজেদের নিজস্ব নাট্যবুদ্ধি প্রয়োগ করে তরুণেরা খুব ভালো ভালো কাজ করছে। কবিতা ভালো কাজ করছেন। ছোট গল্পেও নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োগ করে চলেছেন। তবে তরুণদের অনুশীলন ও ধৈর্য্যের খুব অভাব বোধ করি। খেয়াল করেছি, একটি কবিতা হয়ে উঠেছে। কিন্তু দেখি হঠাৎ কোথাও ছন্দপতন। কিংবা শেষটা ঠিক মতো গুটিয়ে তুলতে পারেনি। অথবা নিতান্তই হালকা চালে লিখেছে। কিন্তু লেখার হাতটা খুব ভালো। সর্বোপরি বলব- এদের মধ্যে প্রচুর প্রাণশক্তি রয়েছে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনি তো অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার একজনের লেখককে কতটা উদ্বুদ্ধ করে?
সৈয়দ হক : এটা ভালো লাগে। লোকে আমার বই পড়ছে। দুচারটে টাকাও আসছে। প্রথমদিকে এগুলো ভালো লাগে। পরে এগুলো কিছু না। কারণ এগুলো সব যখন হয়ে যায় তখন নিজেকে জিজ্ঞেস করতে হয়- তারপরও কেন লেখা? আসলে তখন না লিখলে ভালো লাগে না। না লিখলে আমি অসুস্থ বোধ করি। ভেতরে কিছু কথা জমা হয়। তখন সে কথাগুলো দশজনের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। আর রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ দুটো সম্মাননা আমি পেয়েছি। একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার। সেই ২৯-৩০ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুস্কার পেয়েছিলাম। এখনো এ পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় আমি কনিষ্ঠ। এ ছাড়াও অসংখ্য পুরস্কার আমি পেয়েছি। কিন্তু আসলে এগুলো কোনো কথা নয়, এগুলো একটা স্বীকৃতি। বাবু হে, তুমি যে এতদিন লেগে আছো, লেগে থাকো আরো। আরো এগিয়ে যাও। আরো এগিয়ে যেতে হবে। তুমি সঠিক রাস্তাতেই আছো। বলে- চলেই চলো.. চলেই চলো.. কেননা চলাটাই সত্য। পুরস্কার আমাকে এ কথাই বলে। আমি পুরস্কারকে এভাবেই দেখি।

 

শিহাব শাহরিয়ার : লেখালেখি নিয়ে ভবিষ্যৎ কী পরিকল্পনা রয়েছে আপনার?
সৈয়দ হক : কাল যদি শেষ নিঃশ্বাসটি বেরিয়ে যায়...,কাজেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ওইভাবে করি না। অনবরত লেখার কথা ভাবি, ভাবনা আছে, লিখবো, লিখে যাচ্ছি। যদি বলো যে, এই মুহূর্তে কী কাজ করছেন, বলতে পারি। একটা দীর্ঘ কবিতার ওপর কাজ করছি, দুটো নাটকের ওপর কাজ চলছে একই সঙ্গে, আর অন্য ধরনের কিছু ছোটগল্প লেখার চেষ্ঠা করছি যেখানে কোনো গল্প থাকবে না। কিন্তু পড়বার পর মনে হবে গল্প পড়ে উঠলাম বা শুনে উঠলাম। তো এইরকম কিছু কাজ চলছে।

 

শিহাব শাহরিয়ার : আপনি কোন মাধ্যমে কাজ করে আসলে নিজেকে তৃপ্তি বলে মনে করেন? কবিতা, উপনাস...?
সৈয়দ হক : সব মাধ্যমেই। যখন যেটায় কাজ করি। রবীন্দ্রনাথের একটা গান আছে- ‘ফুলের বনে যার পাশে যাই তারেই লাগে ভালো’। সেরকম আমার সবই ভালো লাগে।     

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬/সাইফ

Walton
 
   
Marcel