ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ চৈত্র ১৪২৩, ২৩ মার্চ ২০১৭
Risingbd
মার্চ
সর্বশেষ:

বেড়িবাঁধে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পায়নি এলাকাবাসী

আলী আকবর টুটুল : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০২-১৭ ৭:৪০:৪৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০২-২০ ৮:৩৪:৪২ পিএম

বাগেরহাট প্রতিনিধি : প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরের নয় বছর পর উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হলেও আজও জমির মালিকরা ক্ষতিপূরণ পাননি।

অধিগ্রহণকৃত জমি ও বসতবাড়ির ক্ষতিপূরণ না পেয়ে হতাশায় দিন কাটছে দুর্যোগ কবলিত এলাকার মানুষের। তবে জেলা প্রশাসন বলছে, অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবে এলাকাবাসী।

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে জেলার উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলায় প্রাণ হারায় সহস্রাধিক মানুষ। বিধ্বস্ত হয় কয়েক হাজার ঘরবাড়ি, মারা যায় লক্ষাধিক গবাদি পশু। উপড়ে যায় অসংখ্য গাছপালা।

দুর্গত এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম ও আনোয়ারসহ অনেকে বলেন, সিডরের পর থেকে এ এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ। নয় বছর পর সেই টেকসই বাঁধের কাজ শুরু হলেও জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। উল্টো তাদের হয়রানি করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তারা বসতবাড়ি,  জমি-গাছপালার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কোস্টাল ইমব্যাংকমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (সিইআইপি) নামে প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাগেরহাটের উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মংলায় ৬৩ কিলোমিটার টেকসই বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে বাঁধের নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, বেড়িবাঁধের কাজ পুরোদমে শুরু হলেও এখনো  কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়নি। ক্ষতিপূরণ দ্রুত দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, দেরিতে হলেও টেকসই বেড়িবাঁধের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে এ বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। জমির মালিকরা শিগগিরই ক্ষতিপূরণ পাবে।



রাইজিংবিডি/বাগেরহাট/১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭/আলী আকবর টুটুল/বকুল

Walton Laptop