ঢাকা, রবিবার, ১০ বৈশাখ ১৪২৪, ২৩ এপ্রিল ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

হবিগঞ্জে বৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে ক্ষয়-ক্ষতি

মামুন চৌধুরী : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৪-২১ ৬:২১:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৪-২১ ৬:২১:৫২ পিএম

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় এক লাখ ১৬ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে।

এর মধ্যে বেশির ভাগ বোরো জমি নবীগঞ্জ, বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাইয়ে। সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে জেলার বিস্তর এলাকার ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানি না সরায় ধানগুলো পঁচে গেছে।

জেলার কৃষিবিভাগের হিসাবে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার ৩২৫ হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে। বাস্তবে তার চেয়ে আরও বেশী জমির ধান নষ্ট হয়েছে। যে সময়ে জমির ধান পঁচে কৃষক সর্বশান্ত। ঠিক এ সময়ে কালবৈশাখী ঝড় কৃষকের ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড করেছে।

ঝড়ে জেলার প্রায় তিন শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শত শত গাছ ভেঙে পড়েছে।  হবিগঞ্জ পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির (হপবিস) বিদ্যুৎ লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিছু কিছু স্থানে সরকারি ত্রাণ পৌঁছেছে। যা ক্ষতির তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

এ ছাড়া বুধবার দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড়ে আজমিরীগঞ্জে কাকাইলছেওয়ে বাক প্রতিবন্ধী মানসিক ভারসাম্যহীন এক বৃদ্ধা নারী মারা গেছেন।

জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম বলেন, হাওর এলাকা পরিদর্শন করেছি। ধান তলিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, সরকার  তৃণমূল মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। আমরা সরকারি সহায়তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ফজলুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত জেলার ৩৫ হাজার ৩২৫ হেক্টর ধানখেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি না সরায়, ধান পঁচে গেছে।

তিনি বলেন, যে সব এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রয়েছে, সেগুলো নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাওহিদুল ইসলাম জানান, হবিগঞ্জে ৪৫৪ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আজমিরীগঞ্জ এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। বরাদ্দক্রমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

হপবিস জেনারেল ম্যানেজার মো. ছোলায়মান মিয়া বলেন, ঝড়ে ১৪টি খুঁটি, ১২ ক্রস আম্র, ১৪টি ইনস্যুলেটর ও ৮৫ স্থানে তার ছিঁড়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

 

 

 

রাইজিংবিডি/হবিগঞ্জ/২১ এপ্রিল ২০১৭/মো. মামুন চৌধুরী/রুহুল

Walton Laptop