ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

কুড়িগ্রামে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

বাদশাহ সৈকত : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-১২ ১২:১২:১৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-১২ ৯:৪৬:০৩ পিএম

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তাসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।

চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ও সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

চিলমারী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম সদর, রৌমারী, রাজিবপুরসহ জেলার ৭ উপজেলার ৪০ ইউনিয়নের ৪৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রায় ২ লাখ মানুষ। অনেক পরিবার বাড়ি-ঘর ছেড়ে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। এ সব এলাকায় খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ১৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

পানিবন্দি পরিবারগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে । অনেক পরিবার বাড়ি-ঘর ছেড়ে উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও হাতে কাজ না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে অতি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারি ত্রাণ অনেকের ভাগ্যে জুটছে না।

উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন জানান, এ পর্যন্ত মাত্র ৪ মেট্রিক টন চাল পেয়েছি, যা ৪শ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা সম্ভব। অথচ আমার ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান বলেন, বন্যার্তদের জন্য ২৫০ মেট্রিকটন চাল ও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার ও সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বেড়েছে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি।

 

 

 

রাইজিংবিডি/কুডিগ্রাম/১২ জুলাই ২০১৭/বাদশাহ সৈকত/উজ্জল

Walton Laptop