ঢাকা, বুধবার, ১২ বৈশাখ ১৪২৫, ২৫ এপ্রিল ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

অর্থ আত্মসাৎ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

রেজাউল করিম : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-১৬ ৯:২৫:১৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-১৭ ৮:৫৭:২৩ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বন্দরের মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বন্দরের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার দুপুরে বন্দর ভবন থেকে সন্দীপন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্দীপন চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন বলেন, বিভিন্ন সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন উপ-প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সন্দীপন চৌধুরী।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠার পর বিষয়টি তদন্ত করে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি নিশ্চিত হয় দুদক। আজ ‍দুপুরে দুদকের একটি টিম বন্দর ভবনে অভিযান চালিয়ে সন্দীপন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসে। তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে হাজির করা হবে।

অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি পণ্য ক্রয় করায় চট্টগ্রাম বন্দরের ছয় কর্মকর্তাসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৩ অক্টোবর তিনটি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

প্রথম মামলায় যাদের আসামি করা হয়, তারা হলেন- মেসার্স জনতা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান, চট্টগ্রাম বন্দরের নৌপ্রকৌশল বিভাগের উপ-প্রধান প্রকৌশলী (মেরিন) খোরশেদ আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (মেরিন) আমিনুল ইসলাম, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সন্দীপন চৌধুরী ও নৌবিভাগের সহকারী হারবার মাস্টার (অপারেশন) নুর আহম্মদ।

দ্বিতীয় মামলায় শাহ আমানত ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ওয়ার্কশপের স্বত্বাধিকারী আরিফুর রহমান ভূঁইয়া ও প্রথম মামলার বন্দরের চার কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।

তৃতীয় মামলায় চট্টগ্রাম বন্দরের ওয়ার্কশপ ম্যানেজার এস এম শাহজাহান, সহকারী কারখানা অধিক্ষক-২ আবদুর রাজ্জাক ও প্রথম মামলার পাঁচজনসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়। দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়-১-এর উপ-সহকারী পরিচালক মো.  শহিদুল আলম সরকার নগরীর বন্দর থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন।

মামলার বাদী শহিদুল আলম সরকার জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে দরপত্রের মাধ্যমে জাহাজের টারবো চার্জার, এক্সজাস্ট মেনিপোল্ট ও এভিআর ক্রয়ের কথা। কিন্তু তারা পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে অনিয়ম করে এসব পণ্য কিনেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।



রাইজিংবিডি/চট্টগ্রাম/১৬ এপ্রিল ২০১৮/রেজাউল/বকুল

Walton Laptop