ঢাকা, সোমবার, ১১ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

হিমঘরের ১২ লাশের ঠিকানা এখন মুন্সিপাড়া কবরস্থান

নজরুল মৃধা : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৯-০১-১২ ১১:২২:১১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০১-১২ ১২:২৩:১১ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রমেক) এর হিমঘরে পড়ে থাকা ১২ লাশের ঠিকানা এখন নগরীর মুন্সিপাড়া করবস্থান।

হাসপাতালের হিমঘরে দীর্ঘদিন ধরে এই ১২টি লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে পড়ে ছিল। এসব লাশের কোনটি ৫ বছর আবার কোনটি এক বছর ধরে হিম ঘরে ছিল। হাসপাতাল, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে মুন্সিপাড়া করবস্থানে বৃহস্পতিবার একে একে লাশগুলো দাফন করা হয়।

জানা গেছে, হাসপাতালের হিমঘরে পড়ে থাকা এসব লাশের  সদগতি বিষয়ে হাসপাতাল কর্তপক্ষ, জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের মধ্যে দীর্ঘদিন চিঠি চালাচালি ছিল। এবিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে লেখালেখিও হয়।  অবশেষে ৪ দপ্তর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে। ফলে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় কাউন্সিলর উদ্যোগি হয়ে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেন। দাফনের খরচের উল্লেখযোগ্য অংশ বহন করে জেলা প্রশাসন।

রমেক হাসপাতাল ও কোতয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, হিমঘরে পড়ে থাকা ১২টি লাশের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ৩ জন নারী এবং ২টি শিশুর।  রংপুর বিভাগের বিভিন্নস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসে এরা হাসপাতালেই বিভিন্ন সময়ে মৃত্যুবরণ করেছে। লাশগুলোর কোন দাবিদার না থাকায় এতদিন এদের ঠাঁই হয়েছিল হিম ঘরে।

সূত্র জানায়, হাপাতাল কিংবা রাস্তাঘাটে কোন বেওয়ারিশ লাশ পাওয়া গেলে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম উদ্যোগি হয়ে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু রংপুরে আঞ্জুমানে মফিদুলে ইসলামের কার্যক্রম নেই। ফলে লাশগুলো এতদিন সৎকারের কোন ব্যবস্থা হয়নি।

রমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. অজয় রায় জানান, আইনগত জটিলতার কারণে এসব লাশ দাফনের বিষয়টি এতদিন আটকে ছিল। অবশেষে সব দপ্তরের সমন্বয়ে বেওয়ারিশ লাশগুলোর দাফন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

কোতয়ালি থানার ওসি রেজাউল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় কাউন্সিলরের আর্থিক সহায়তায় ও পুলিশের সার্বিক তত্বাবধানে ১২টি লাশের দাফন করা হয়েছে।

 

 

 

রাইজিংবিডি/রংপুর/১২ জানুয়ারি ২০১৯/নজরুল মৃধা/টিপু

Walton Laptop
 
     
Walton AC