ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ আষাঢ় ১৪২৫, ২১ জুন ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিএসএমএমইউকে এগিয়ে নিতে হবে

আরিফ সাওন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-১৪ ৮:৪৭:১৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৬-০৪ ৩:৪৮:৫৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চিকিৎসা শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়কে  আরো এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার এ-ব্লকে ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের সহায়তায় ট্রাসফিউশন মেডিসিন বিভাগের কোয়ালিটি  ম্যানেজমেন্ট নিরূপণ নিয়ে পরিচালিত এক জরিপ প্রতিবেদন উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল, ওই বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জলি বিশ্বাস, আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ডা. তারেক রেজা আলী।

প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ট্রাসফিউশন মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. আয়েশা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান প্রমুখসহ বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. শেখ সাইফুল ইসলাম শাহীন।

অনুষ্ঠানে ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগে চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলাম ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের উন্নয়নের স্বার্থে অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট পলিসি তৈরি, ব্লাড ডোনার ডাটা ব্যাংক স্থাপন, ইলেকট্রনিক মেডিক্যাল রেকর্ড সিস্টেম চালুসহ বিভিন্ন সুপারিশসমূহ তুলে ধরেন।

এদিকে ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ থেকে জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ রক্তের কম্পোনেন্ট সরবরাহ, প্লাজমা একচেঞ্জ থেরাপি প্রদানসহ রোগীদের সেবায় অনন্য সাধারণ ভূমিকা রাখছে। ২০১৭ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ থেকে থ্যালাসেমিয়া, অ্যানিমিয়া, হিমোফিলিয়া, লিউকোমিয়া রোগীদের জন্য ঢাকা মহানগরীতে রক্তের ২৪ হাজার কম্পোনেন্ট সরবরাহ, ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ২০২৫টি এফেরেটিক প্লাটিলেট সংগ্রহ ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ৫০টি স্টিম সেল সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২ বছরে ৭৮টি প্লাজমা একচেঞ্জ থেরাপি প্রদান করা হয়েছে। যেসব রোগে রক্তে এন্টিবডি তৈরি হয় সেক্ষেত্রে এই  প্লাজমা একচেঞ্জ থেরাপি ব্যবহার করা হয়।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ মে ২০১৮/সাওন/মুশফিক

Walton Laptop
 
   
Walton AC