ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

কাতারি মিডিয়া হ্যাকিংয়ে আমিরাত সরকার

রাসেল পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-১৭ ৪:২২:৫১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-১৭ ৪:২২:৫১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কাতার সরকারের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সংবাদ মাধ্যম হ্যাকিংয়ের বন্দোবস্ত করে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সময় রোববার এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের এই সংবাদপত্রে বলা হয়েছে, মে মাসের শেষ দিকে কাতারের মিডিয়ায় আমিরাত সরকারের ওই হ্যাকিংয়ের উদ্দেশ্য ছিল, কাতারের আমিরের মিথ্যা উক্তি পোস্ট করা, যা কাতার ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিতে পারে।

ওয়াশিংটন পোস্টের খবরমতে, মে মাসে কাতারের আমির শেখ মোহাম্মদ তামিম বিন হামাদ আল-থানির নামে মিথ্যা উক্তি পোস্ট করা হয়। এই পোস্টের ভাষ্য ছিল, ‘ইসলামি শক্তি’ হিসেবে হামাস ও ইরানের প্রশংসা করে থাকেন আল-থানি। মূলত এই পোস্টের পর ৫ জুন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও বাহরাইন কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়। তারা সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করে, কাতার সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন করছে। তবে অভিযোগ কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে কাতার।

হ্যাকিংয়ের পর কাতার দাবি করে, আমিরের নামে হ্যাকাররা মিথ্যা উক্তি ও বক্তব্য পোস্ট করেছে। কিন্তু উপসাগরীয় ওই চার দেশ এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করে। একই অভিযোগে কাতারের বিরুদ্ধে তাদের অবরোধ এখনো বহাল রেখেছে তারা। 

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, নতুনভাবে বিশ্লেষণ করা কিছু তথ্য গত সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের হাতে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, কাতারের মিডিয়ায় হ্যাকিংয়ের আগের দিন ২৩ মে হ্যাকিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন আমিরাত কর্মকর্তার।

খবরে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমিরাত সরকার নিজেই না কি অর্থ প্রদানের মাধ্যমে অন্যদের দিয়ে কাতারের ওয়েবসাইটগুলোতে হ্যাক করিয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। ওয়াশিয়ংটন পোস্টের খবরে সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন পোস্টের খবর প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাইবা। তিনি বলেছেন, ‘কাতারের বেলায় সত্যি হলো- তালেবান থেকে হামাস ও গাদ্দাফি পর্যন্ত উগ্রতাবাদ ছড়িয়ে দিতে তহবিল ও সমর্থন দেওয়া। সহিংসতায় উসকানি, মৌলবাদে উৎসাহ দেওয়া এবং প্রতিবেশীদের স্থিতিশীলতা নষ্ট করাই তাদের কাজ।’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই কাতারের মিডিয়ায় হ্যাকিংয়ের ঘটনা তদন্তে কাজ করেছিল। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ওয়াশিংটন পোস্টের খবর সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেখায়নি যুক্তরাষ্ট্র।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ জুলাই ২০১৭/রাসেল পারভেজ

Walton Laptop