ঢাকা, বুধবার, ২৯ কার্তিক ১৪২৫, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

খাশোগি হত্যাকারীদের একজন সৌদি যুবরাজের ঘনিষ্ঠজন

শাহেদ হোসেন : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-১০-১৭ ২:৩৩:৫৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১১-১১ ৮:১৩:৫১ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের একজন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ সহচর। মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

অন্যদের মধ্যে তিনজন যুবরাজ মোহাম্মদের নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং পঞ্চমজন হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের ফরেনসিক চিকিৎসক।

তুরস্ক দাবি করে আসছে, সৌদি আরব থেকে পাঠানো ১৫ জনের একটি টিম খাশোগি হত্যা জড়িত। তাদের এ ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েই ইস্তাম্বুলে পাঠিয়েছিল রিয়াদ।

নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই ১৫ জনের মধ্যে অন্তত ৯জন সৌদি নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী অথবা সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে কর্মরত আছে। চেহারা চিহ্নিতকরণ সফটওয়্যার, সৌদি মোবাইল ফোন নাম্বার, ফাঁস হওয়া সৌদি সরকারের গোপন নথি, প্রত্যক্ষদর্শী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতায় সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়েছে।

সন্দেহভাজনদের একজনের নাম মাহের আব্দুল আজিজ মাতরেব। তিনি ২০০৭ সালে লন্ডন দূতাবাসে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি সম্ভবত দেহরক্ষী  ছিলেন। সম্প্রতি প্রিন্স মোহাম্মদের মাদ্রিদ ও প্যারিস সফরকালে বিমান থেকে নামার সময় মাতরেবকে তার সঙ্গে দেখা গেছে। এছাড়া প্রিন্স মোহাম্মদের যুক্তরাষ্ট্রের হাউস্টন, বোস্টন ও জাতিসংঘ সফরের সময়ও প্রিন্স মোহাম্মদের দেহরক্ষী হিসেবে তাকে দেখা গেছে।

অপর তিন সন্দেহভাজনদের মধ্যে আব্দুল আজিজ মোহাম্মদ আল হাওসাউই প্রিন্স মোহাম্মদের সফরসঙ্গী নিরাপত্তা টিমের সদস্য, থার ঘালিব আল হারবি ও মুহাম্মদ সাদ আলজাহারআনি সৌদি রাজকীয় গার্ড ইউনিটের সদস্য। পঞ্চম সন্দেহভাজন সালা আল-তুবাইজি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ। টুইটার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি সৌদি সায়েন্টিফিক কাউন্সিল অব ফরেনসিকের প্রধান। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদির শীর্ষ মেডিক্যাল কলেজের শীর্ষ পদে রয়েছেন।

গত ২ অক্টোবর খাশোগি তার তুর্কি বাগদত্তাকে বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন। সৌদি নাগরিক খাশোগি সেখানে তার প্রথম বিয়ের তালাকের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। ওই দিন বিকেলে তার বাগদত্তা জানান, খাশোগি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর আর সেখান থেকে বের হননি। তুরস্কের দাবি, খাশোগিকে কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যার পর তার লাশ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে সৌদি আরব তুরস্কের দাবিকে ‘মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ অক্টোবর ২০১৮/শাহেদ

Walton Laptop
 
     
Marcel