ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ২০ নভেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

জামিন বাতিল হবে কি না আদেশ ১৬ অক্টোবর

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-১০-১৪ ১:১৬:৩৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১০-১৪ ১:১৬:৩৫ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল হবে কি না এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে করা আবেদনের ওপর আদেশ দাখিলের জন্যও একই দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রপক্ষের (দুদক) করা রায়ের দিন ধার্যের আবেদনের আদেশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

রোববার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এদিন বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আজ মামলাটি আসামি পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল ও রায়ের তারিখ ধার্যের বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য আছে। আমরা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী সার্টিফিকেটের মাধ্যমে জানতে পেরেছি আসামি খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারের আদেশের বিরুদ্ধে একটি রিভিশন মামলার আজ হাইকোর্টে আদেশের জন্য আছে। উচ্চ আদালতের আদেশ পৌঁছে নি, পেন্ডিং আছে। এ অবস্থায় হাইকোর্টের আদেশে দেখার জন্য আদালত সোমবার দিন ধার্য করতে পারেন।

এরপর সানাউল্লা মিয়া বলেন, ম্যাডামের অনুপস্থিতিতে বিচার চলার আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যে রিভিশন মামলা করেছি তার আজ (রোববার) আদেশের জন্য দিন ধার্য আছে। আমরা মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখার ও খালেদা জিয়ার জামিন বৃদ্ধির আবেদন করছি।

তখন মোশাররফ হোসেন কাজল আগামীকাল মামলার দিন ধার্যের আবেদন করেন। তিনি বলেন, সব কার্যক্রম শেষ । আদেশের জন্য আছে, আদেশ দিলে পরবর্তী কার্যক্রমে যেতে পারি।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৬ অক্টোবর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও জামিন বাতিল এবং রায়ের তারিখ ধার্যের বিষয়ে আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন কেন বাতিল করা হবে না, তা খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের কাছে জানতে চান আদালত। ওই বিষয়ে গত ৭ অক্টোবর খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা লিখিত ব্যাখ্যা দেন।

এদিন শুনানিকালে কারাগারে থাকা দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি আছে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।

মামলাটিতে বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।

মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় চার্জ গঠন করেন।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ অক্টোবর ২০১৮/মামুন খান/ইভা

Walton Laptop
 
     
Marcel
Walton AC