ঢাকা, শনিবার, ১ পৌষ ১৪২৫, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

কোস্ট গার্ডের প্রাক্তন মহাপরিচালক কারাগারে

এমএ খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৬-০৯-২৯ ৬:১৪:১৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৯-২৯ ৬:১৪:১৬ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : কোস্ট গার্ডের প্রাক্তন মহাপরিচালক (ডিজি) কমোডর শফিক-উর-রহমানকে দুর্নীতির একটি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকা সিএমএম আদালত।

 

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

 

প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকার গম আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় বুধবার রাতে রাজধানীর মহাখালীর নিউ ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করে দুদক। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

 

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৯৯৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা সৈয়দ ইকবাল হোসেন রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন- তৎকালীন কমোডর এম এম রহমান, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাশেদ তানভীর, লেফটেন্যান্ট এম এস উদ্দিন ও সাব-লেফটেন্যান্ট আশরাফুল হক।

 

মামলা দায়েরের পরপরই এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন শফিক-উর-রহমান। সম্প্রতি রিটের নিষ্পত্তি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারিক আদালত।

 

অভিযোগের বিষয়ে মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কোস্টগার্ডের প্রায় ১১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন গম অবৈধভাবে বিক্রি করে ৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন শফিক-উর-রহমানসহ পাঁচজন।

 

মামলার এজাহারে আরো বলা হয়েছে, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, মংলা ও পটুয়াখালী অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কোস্টগার্ডের অনুকূলে ১১ হাজার ১০০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী, ওই গম বিক্রির সুযোগ ছিল না। কিন্তু কোস্টগার্ডের তৎকালীন মহাপরিচালক শফিক-উর-রহমান ওই গম বিক্রির জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটি কতগুলো ভুয়া প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটেশন নিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো ৫ টাকা কেজি হিসেবে ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় গম বিক্রি করে। অথচ ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর হিসেবে গমের বাজারমূল্য ছিল প্রতি কেজি ১১ টাকা ৬৪ পয়সা। যার মূল্য দাঁড়ায় ১২ কোটি ৯২ লাখ ৪ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে সরকারের ৭ কোটি ৩৭ লাখ ৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরার কাছে প্রমাণিত হয়।

 

১৯৯৭ সালের ১ মে থেকে ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল সময়ের মধ্যে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে বলা হয়।
 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬/এমএ খান/রফিক

Walton Laptop
 
     
Marcel
Walton AC