ঢাকা, শনিবার, ৭ আশ্বিন ১৪২৫, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

উন্নয়ন মেলায় ব্র্যাক

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০১-১৩ ৭:২৮:০৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-১৩ ৭:২৮:০৫ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী ‘উন্নয়ন  মেলা-২০১৮’। এতে অংশ নিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক। মেলায় সংস্থাটির বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির পাশাপাশি অতিদরিদ্র কর্মসূচির কার্যক্রমের সাফল্যও তুলে ধরা হয়েছে।

ব্র্যাকের স্টলে এই কর্মসূচির বিবরণ সংবলিত পুস্তিকা, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এর ভূমিকাবিষয়ক লিফলেট, অতিদারিদ্র্য থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাওয়া সফল পরিবারগুলোকে নিয়ে রচিত পুস্তিকা ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়েছে।

‘অতিদরিদ্র কর্মসূচি’ দারিদ্র্য বিমোচনে ব্র্যাক পরিচালিত একটি বিশেষ উদ্যোগ যার আওতায় অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোকে দুই বছরব্যাপী নিবিড় ও সমন্বিত সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মাধ্যমে ২০০২ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দারিদ্র্যপীড়িত ৪৭টি জেলার ১৭ লাখের বেশি পরিবারকে অতিদারিদ্র্য থেকে উত্তরণে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে ৪৩টি জেলার ২১০টি উপজেলায় এই কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে পরিবারপ্রতি কর্মসূচি নির্ধারিত বরাদ্দ প্রায় ৪০ হাজার টাকা।

সরকারের উদ্যোগে ঢাকাসহ দেশের ৬৪টি জেলায় একযোগে উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে দারিদ্র্য বিমোচনে নিয়োজিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো অংশগ্রহণ করেছে। মেলার মূল লক্ষ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে দেশের প্রান্তিক জনগণসহ আপামর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের পাশাপাশি ব্র্যাকও সুদীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে।

সেই সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্র্যাক এই মেলায় অংশ নিয়েছে এবং পাশাপাশি সংস্থাটির অতিদরিদ্র কর্মসূচির আওতাভুক্ত জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসকের কাছে কর্মসূচির কার্যক্রমবিষয়ক তথ্যাবলি হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ব্র্যাকের অতিদরিদ্র কর্মসূচির ‘গ্র্যাজুয়েশন অ্যাপ্রোচ’ এমন একটি কার্যকর মডেল যা ইতিমধ্যে বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এই কর্মসূচি সম্পদ হস্তান্তর এবং সহজ শর্তে ঋণ, নিবিড় কারিগরি প্রশিক্ষণ, সঞ্চয়ের অভ্যাস তৈরি, স্বাস্থ্যসহায়ক কার্যক্রম, সমাজের মূলস্রোতের সঙ্গে সম্পৃক্তকরণ ইত্যাদি কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে একটি অতিদরিদ্র পরিবারকে ভঙ্গুর আর্থসামাজিক অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে সংযুক্ত হতে সহায়তা করে।

এ কর্মসূচিকে আরো এগিয়ে নিতে ব্র্যাক ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে দেশব্যাপী প্রায় সাড়ে ৪ লাখ অতিদরিদ্র পরিবারকে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা বাংলাদেশ সরকারের অতিদারিদ্র্য বিমোচনবিষয়ক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে বলে সংস্থাটি আশা করে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৩ জানুয়ারি ২০১৮/হাসান/মুশফিক

Walton Laptop
 
     
Walton