ঢাকা, শনিবার, ২ পৌষ ১৪২৪, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

এ কোন নৈরাজ্যিক বাংলাদেশি সমাজ?

আহমদ রফিক : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০২-১১ ১১:৩৩:২৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৩-২৮ ৩:২৩:২৬ পিএম

|| আহমদ রফিক ||

বাংলাদেশে সামাজিক-পারিবারিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে সন্ত্রাস, যৌন নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ ক্রমেই বেড়ে চলেছে, টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির কথা না-ই বলি। অথচ উন্নয়নের কাজ পাশাপাশি চলছে, বিদেশের প্রশংসাও কুড়োচ্ছে। বিশ্ব সামাজিক-সাংস্কৃতিক কালো অধ্যায় কি উপেক্ষা করার মতো?

প্রতিদিনের খবর পড়ে মানুষ হতবাক, ক্ষুব্ধ। হয়তো তাই কলামিস্টদের পাশাপাশি সমাজে ক্রমবর্ধমান অপরাধ সংস্কৃতি নিয়ে উদ্বিগ্ন একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলামের শিরোনাম: ‘বাড়ছে খুনোখুনি/দমনে কার্যকর উদ্যোগ নিন’।  এ শিরোনামের কিছু বয়ান: ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছে। প্রতিদিন অসংখ্য খুনের ঘটনা ঘটছে। গুম হয়ে যাচ্ছে অনেক মানুষ। কারো লাশ মিলছে, কারো মিলছে না। সেই সঙ্গে বাড়ছে দলগত সংঘাত ও খুনাখুনির ঘটনা।’

এরপর রয়েছে দেশব্যাপী সংঘটিত খুনোখুনির বিশদ উল্লেখ। এতসব বিবরণে না গিয়েও অবস্থাদৃষ্টে অনুমান করা চলে যে, সামাজিক-নৈতিক পরিস্থিতি বিচারে বাংলাদেশ ভালো অবস্থায় নেই। প্রতিদিনের সংবাদপত্রে ‘অপরাধ জগতের’ বিবরণ পাঠ তেমন ধারণা দেয়। সমাজ যদি এতটাই দূষিত ও অপরাধপ্রবণ হতে শুরু করে তাহলে উন্নয়নের সুফল কার ভোগে লাগবে। শক্তিমান অপরাধী মহলের নাকি নিগৃহীত মানুষের ও সাধারণ মানুষের?

সীমান্ত অঞ্চল সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী, ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে নড়াইলের কালিয়া, খুলনার রূপসা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহের ভালুকা, সুনামগঞ্জের দিরাই জলমহাল থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া’- অন্য অঞ্চলের কথা বাদ দিয়েই বলা যায়, খুনোখুনি এবং সন্ত্রাসবাদী মহড়া। বাদ পড়ছে না ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

এসবের পেছনে রয়েছে বিকৃত যৌনাকাঙ্ক্ষার নিবৃত্তি, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসাপরায়ণতা, লোভ-লালসা ও অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দুর্নীতির টানাপোড়েন, মাদক বাণিজ্য এবং ব্যক্তিগত মাদকাসক্তির পরিণাম। একধরনের চরম নৈরাজ্যিক অবস্থা বিরাজ করছে সমাজে। কেনই বা করছে। কী তার কারণ? বেশ কয়েক বছর ধরেই এ-জাতীয় অবস্থার প্রকাশ, ক্রমে তার বিস্তার, রাজধানী ঢাকা মহানগর থেকে দূর শহরে, এমনকি গ্রামেগঞ্জে। গ্রামাঞ্চলে আর একটি অন্যায় উপদ্রব মোল্লা ও সমাজপতিদের ফতোয়াবাজির তাড়নায় নারী নির্যাতনের ঘটনা। অসহায়ার পক্ষে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই সেখানে।

এ প্রসঙ্গে বহু-আলোচিত বিষয় বেশকিছু চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সুরাহা না হওয়া, অপরাধী শনাক্ত না হওয়া; বিচার তো দূরের কথা। আবার কোনো ক্ষেত্রে অপরাধী শনাক্ত হলেও প্রভাবশালী মহলের প্রতাপে তদন্ত ও বিচার ধামাচাপা পড়া কিংবা বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়া, যার ফলে ঘটনার তথা সুবিচারের মৃত্যু। এ ছাড়া কথাই তো আছে ‘বিলম্বিত বিচার বিচারহীনতার বা বিচার না পাওয়ার নামান্তর’।

এখনো মাঝে মাঝে নানাজনের বরাতে সংবাদপত্রের পাতায় ক্ষোভ-আক্ষেপ-আর্তির প্রকাশ ঘটে সাগর-রুনির নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে, অপরাধী এখনো শনাক্ত হওয়ার অপেক্ষায়। অথচ সময় বয়ে চলেছে প্রতিবাদী হাওয়ায়। তেমনি ত্বকী হত্যার বীভৎস ঘটনা, অপরাধী শনাক্ত হওয়া সত্ত্বেও শাস্তি এখনো ঝুলছে। এ ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি কি তার সাহায্যের হাত বাড়াতে পারেন না।

একই কথা বলতে হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের মেধাবী ছাত্রী, নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর ধর্ষণ-উত্তর হত্যাকাণ্ড নিয়ে। তনুর অসহায় মা-বাবার আর্তি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চেতনায় আঘাত করেনি। তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করেনি। তেমনি এ বিষয়ে চরম দায়িত্বহীনতা ও নীতিহীনতার পরিচয় দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক চিকিৎসকগণ তনুর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট নিয়ে। সংবাদপত্র প্রতিবেদনে সে ক্ষেত্রে অনৈতিকতার অভিযোগ উঠেছে; যা আসলে অন্যায় বা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

অনেক অনেক লেখালেখির পরও এমন অনেক হত্যা ও নারী ও তরুণী নির্যাতনের এবং হত্যার ঘটনা সঠিক তদন্ত ও বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। আর অপরাধ করে যে কারণেই হোক শাস্তি না পাওয়ার ঘটনাবলি বলাবাহুল্য সমাজবিরোধী দুর্বৃত্তদের দুষ্কর্মে উৎসাহিত করছে। এ উৎসাহ শুধু চিহ্নিত অপরাধজগতেই নয়, শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মে, এমনকি ছাত্রদের মধ্যেও অপরাধপ্রবণতা সৃষ্টি করছে। কিছুদিন থেকে সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনাদির বিবরণ থেকে তাই মনে হয়।

সম্প্রতি উত্তরায় নিহত তরুণ আদনানকে নিয়ে দৈনিক কাগজের পাতায় যেসব প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে তাতে পাঠকমাত্রেরই শিহরিত এবং একই সঙ্গে উদ্বিগ্ন হওয়ার কথা। তরুণ প্রজন্ম, এমনকি স্কুল পর্যায়ের ছাত্রদের মধ্যে বখাটেপনা এবং দুর্বৃত্তপনার চরম প্রকাশ, যা হত্যাকাণ্ডে পর্যবসিত অবিশ্বাস্যই মনে হয়। কিন্তু এ বাস্তবতা অস্বীকারের উপায় নেই।


দুই

স্বাধীন বাংলাদেশি সমাজে এ-জাতীয় অপরাধপ্রবণতা ও অপরাধ কর্মকাণ্ড আসলে কারো প্রত্যাশা ছিল না। তাই এসব ঘটনা মানুষকে বিস্মিত করে, ক্ষুব্ধু করে। শুধু তাই নয়, দেখা যাচ্ছে সম্প্রতি সংঘটিত জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী ঘটনার কুশীলবগণ উচ্চবিত্ত পরিবারের, শিক্ষিত সন্তান- ভাবা কঠিন! ভ্রষ্টাদর্শের ধর্মীয় চেতনার প্রভাবে মগজধোলাই করা তরুণদের নিয়ে সমাজ ও পরিবার শুধু উদ্বিগ্ন নয়, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত।

এসবের দায় তো পরিবারের অভিভাবকদের, তেমনি রাষ্ট্রযন্ত্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। মুখোমুখি সংঘাতে এ-জাতীয় তরুণ অপরাধীদের বিচার না করে মেরে ফেলা সহজ সমাধান হলেও সঠিক পন্থা নয়। কারণ এদের চরিত্র রক্তবীজের মতো। যত মরবে, সেই মৃত্যুর উৎসাহে এদের সংখ্যা তত বাড়বে। তাই বিচার, শাস্তি ও সংশোধনের শুদ্ধ আদর্শে মগজধোলাই সঠিক পথ বলে অনেকে মনে করেন।

যেকোনো প্রকার অপরাধ দমনে অপরাধ ও অপরাধীর তারতম্য বা প্রভেদ বিচারে প্রতিকার ও প্রতিরোধের পন্থা নিরূপণে অপরাধ ভুবনের উচ্ছেদ ঘটাতে চাইলে প্রতিকারের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিরোধের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা জরুরি বলে মনে করা যেতে পারে। তাতে পূর্বোক্ত তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার পাশাপাশি যে ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় তাতে পরিবারে সন্তানের নৈতিক শিক্ষা, আদর্শবাদী শিক্ষাদানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ দায় প্রাথমিকভাবে পরিবারের অভিভাবক হিসেবে বাবা-মায়ের ওপর বর্তায়। সন্তানদের শৈশব থেকে প্রকৃত অর্থে সুশিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা, আদর্শিক জীবনযাত্রার শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষাদানের মতো বিষয়গুলো অপরিহার্যজ্ঞানে পালন করা উচিত। শিশু-সন্তানদের সময় দান যেমন জরুরি তেমনি গুরুত্বপূর্ণ পিতা-মাতার জীবনাচরণে আদর্শ ভাবমূর্তি তৈরি করা যা সন্তানদের অনুসরণে আগ্রহী করে তুলবে। ইংরেজিতে যা ‘আইডিয়াল ফাদার ফিগার’ বা ‘মাদার ফিগার’ হিসেবে পরিচিত।

বাবা-মায়ের ভোগবিলাসী, উচ্ছৃঙ্খল বা অনৈতিক ধারার জীবনযাপন নিশ্চিতই সন্তানদের বিপথে যেতে বা দুঃশীল সাথীদের অনুসরণ করতে উৎসাহী করে তুলতে পারে। তরুণদের বিভ্রান্ত হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান অন্ধকার-পথ দুষ্টসঙ্গী বা নষ্ট বন্ধুর সাহচর্য ও প্রভাব। অনেক ক্ষেত্রে মগজধোলাই দুর্বল মস্তিষ্কের তরুণদের বিপথে যেতে, অপরাধজগতে সংশ্লিষ্ট হতে সাহায্য করে থাকে। তাই শিক্ষা জীবনের পরিবেশ তরুণদের জন্য ‘ভালো থাকা’ বা ‘মন্দ হওয়া’র ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সে পরিবেশ সুস্থ, নির্দোষ ও পরিচ্ছন্ন রাখাটা জরুরি। আর সে ক্ষেত্রে দায় যেমন শিক্ষকদের তেমনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষায়তনিক কর্তৃপক্ষের। দূষিত রাজনীতি বা রাজনৈতিক দূষণও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তা ছাড়া রাজনৈতিক শাসন-কর্তৃপক্ষের দায় অবশ্যই অনস্বীকার্য।

এ বিষয়ে দলমত নিরপেক্ষ সুশাসন ব্যবস্থার গুরুত্ব খাটো করে দেখার উপায় নেই। দরকার সুস্থ আদর্শ, অনুসরণযোগ্য নিঃস্বার্থ, আদর্শনিষ্ঠ শাসন ব্যবস্থার প্রচলন। যেখানে থাকবে না দুর্নীতি, অনৈতিকতা ও আদর্শহীন দুষ্ট রাজনীতির প্রভাব। সমাজের স্বার্থরক্ষায় থাকবে সার্বক্ষণিক সতর্ক প্রহরা। থাকবে ব্যক্তিস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা ও চিন্তার স্বাধীনতার নিশ্চয়তা। অবশ্য স্বাধীনতার নামে অনাচার বা স্বেচ্ছাচার নয়।

সমাজে সুস্থ আদর্শ সামনে না থাকাও তরুণদের বিভ্রান্ত ও বিপথগামী হবার সুযোগ করে দিয়েছে। তারুণ্যে জমা হচ্ছে ক্ষোভ, ক্রোধ, হতাশা যা তাদের নৈরাজ্যিক হতে, এস্টাবলিশমেন্ট বিরোধী হওয়ার নামে স্বেচ্ছাচারী-অনাচারী হতে সাহায্য করছে। সংক্রামক ব্যাধির ন্যায় সমাজে এ সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ের পরিণাম বেড়েই চলেছে। সুস্থ সামাজিক প্রতিরোধ শক্তি নেই বললেই চলে। যারা এ বিষচক্রের আগ্রাসন থেকে মুক্ত তারা আপন চরিত্র বৈশিষ্ট্যের কারণেই সুস্থ অবস্থান নিতে পারছে।


তিন

সবচেয়ে বড় কথা এ অবস্থার অবসান ঘটাতে প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক দুটো ব্যবস্থাতেই রয়েছে দুর্বলতা, কোনটিতে উদাসীনতার প্রকাশ যথেষ্টমাত্রায়। সমাজ দুষ্টক্ষত ও অবক্ষয়ের বিষচক্রে রেখে সমাজ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা যে অর্থহীন, তাৎপর্যহীন সে কথা বোঝার সময়ও পার হয়ে যাচ্ছে। আর সে ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে অপরাধচক্র, বাড়ছে অপরাধের ভয়ংকরতা ও ব্যাপকতা।

সংবাদপত্রের নানামাত্রিক সংবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশের পরও রাষ্ট্রিক নিরাপত্তায় কর্তৃপক্ষ কতটা সচল ও তৎপর হয়েছে জানি না (নাকি তারা শুধু জঙ্গি-শিকারেই ব্যস্ত), এদিকে কিন্তু ঘণ্টা বেজে চলেছে। একের পর এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটে চলেছে। উত্তরার বহু আলোচিত আদনান হত্যার পর এবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বন্ধুদের হাতে বন্ধু খুন। কিশোর আবদুল আজিজ, বয়স ১৮, প্রায় সমবয়সি বন্ধুদের হাতে ক্রিকেট ব্যাট ও ছোরার আঘাতে নিহত।

দাগি ঘাতক, ভাড়াটে খুনি ও সমাজবিরোধী দুর্বৃত্তদের চরিত্র অর্জন করতে শুরু করেছে তরুণ ও কিশোরদের একাংশ। এদের অধিকাংশ শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বা বিত্তবান পরিবারের সন্তান। ক্ষুব্ধ-সংবাদ-প্রতিবেদক বা কলামিস্টগণ এদের উদ্দেশ্যে ‘ভয়ংকর কিশোর গ্যাং’ শব্দপুঞ্জ ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। আদনান হত্যা প্রসঙ্গেও ছিল অনুরূপ শিরোনাম।

এদের অপরাধ মনস্তত্ত্ব সামাজিক-সাংস্কৃতিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার দাবি রাখে, যা রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত। পূর্বোক্ত অভিভাবক-উদাসীনতার পাশাপাশি আধুনিক ফেসবুক সাংস্কৃতিরও এ প্রবণতার পেছনে ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারো মতে যেমন রয়েছে ক্রাইম ফিকশনের ভূমিকা।

সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়টির ভূমিকা গুরুতর বলেই উল্লিখিত এ ভয়ংকর ব্যাধি রুখতে দরকার পড়বে ত্রিমুখী ব্যবস্থার। যেমন পারিবারিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সক্রিয়তার। সরকার কি এ ব্যাপারে অগ্রচারীর ভূমিকা গ্রহণ করবে না?

লেখক: প্রাবন্ধিক

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭/তারা/এএন

Walton
 
   
Marcel