ঢাকা, বুধবার, ১৩ বৈশাখ ১৪২৪, ২৬ এপ্রিল ২০১৭
Risingbd
Risingbd
সর্বশেষ:

মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার সমর্থিত সরকারের খেলা বন্ধ দরকার

আসাদ আল মাহমুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৪-০১ ৮:২৫:১০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৪-০৮ ৮:৫৯:২১ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার সমর্থিত সরকারের অদল-বদল খেলা বন্ধ দরকার বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

শনিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে দেশ পরিচালনায় একবার মুক্তিযোদ্ধা, একবার রাজাকার সমর্থিত সরকার- এ অদল-বদল মিউজিক্যাল চেয়ার খেলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। আর এজন্য জঙ্গি ও রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষক, আগুনসন্ত্রাসী ও ভয়ংকর খুনিদের সিন্ডিকেটপ্রধান এবং পাকিস্তানের নব্য দালাল খালেদা জিয়াকে রাখতে হবে রাজনীতির বাইরেই। নির্বাচন ও রাজনীতির ময়দানে শুধু মুক্তিযুদ্ধের পক্ষই লড়বে, রাজাকার বা তাদের সমর্থকরা নয়। 

জঙ্গি দমনকে এখনকার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে বর্ণনা করে ও জঙ্গির পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি, বৈষম্য ও দারিদ্র্যের সমস্যা থাকলেও এ মুহূর্তে রাজনীতি, সমাজ, ধর্ম, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি ও বিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে জঙ্গিসন্ত্রাস। জনগণকে তাই জঙ্গি দমনের যুদ্ধের চশমা দিয়েই চলমান পরিস্থিতি দেখতে হবে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতি যখন জঙ্গি দমনে ঐক্যবদ্ধ তখন জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে খালেদা জিয়া ও বিএনপি জঙ্গিবিরোধী জাতীয় ঐক্যের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে।

এ সময় জঙ্গিদের মদদ দেওয়া ও গণহত্যা দিবস পালন না করার অভিযোগে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে জাসদ সভাপতি বলেন, যদি বেগম জিয়া জঙ্গি পৃষ্ঠপোষকতা না করতেন তবে জঙ্গি উৎপাত কখনোই এত বাড়ত না এবং আরো আগেই নির্মূল হতো। আর ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন না করে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে তিনি পাকিস্তানের নব্য দালালের পরিচয় দিয়েছেন। অবশ্য রাজাকার ও জঙ্গির পক্ষ নেওয়া খালেদা জিয়ার কৌশলগত অবস্থান নয়, ধারাবাহিক আদর্শগত অবস্থান।

জঙ্গি দমনের সঙ্গে সঙ্গে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, থেমে থাকলে চলবে না, জঙ্গি দমন যুদ্ধের ভেতরেই রাজনীতির দুই অংক মেলাতে হবে। এক, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং যুদ্ধাপরাধী ও আগুনসন্ত্রাসীদের বিচার করতে হবে।  দুই. সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দারিদ্র্য, বৈষম্য, দলবাজি ও দুর্নীতির অবসান করতে হবে।

সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য  শিরীন আখতার, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন, মীর হোসাইন আখতার, ইকবাল হোসেন খান,  অ্যাড. রবিউল আলম, অ্যাড. হাবিবুর রহমান শওকত, নুরুল আখতার, সহ-সভাপতি আব্দুল হাই তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

 

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ এপ্রিল ২০১৭/আসাদ/মুশফিক

Walton Laptop