ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২৩ নভেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

সমঝোতায় আসতে বাধ্য হবে সরকার : মওদুদ

মামুন খান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-১৪ ৭:৫০:৩৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-১৪ ৭:৫০:৩৯ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য সরকার সমঝোতায় আসতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা ও মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ঢাকাস্থ সেনবাগ জাতীয়তাবাদী ফোরাম এ সভার আায়োজন করে।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, গণতন্ত্রহীন এই শাসনকাল আমাদের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আজকে ক্ষমতায় আছেন, যতদিন আছেন ততদিন ভালই লাগে এবং মনে হয় কোনোদিন ক্ষমতা থেকে চলে যেতে হবে না।

তিনি বলেন, দেশে কোনো সরকারই তো শেষ সরকার হতে পারে না। একবার তো বিদায় নিতেই হবে। তবে বিদায়টা কেমন হবে সেটাই সবচেয়ে বড় কথা। বিদায়টা যেন সম্মানজনক হয় আশা করি সেটা আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী চিন্তা করে দেখবেন। বিদায়টা যেন সম্মানের সহিত হয়। কোনো অপমান, লাঞ্ছনা, লজ্জা, নিগ্রীত অবস্থা যেন না হয় সেদিকে নজর রেখে আমি বিশ্বাস করি আগামী নির্বাচনের জন্য সরকার একটি সমঝোতায় আসতে বাধ্য হবে।

মওদুদ আহমেদ বলেন, সমঝোতায় যদি না আসেন, যদি সেই সৎ বুদ্ধি না হয়ে থাকে তাহলে আন্দোলনের কোনো বিকল্প থাকবে না। আমরা না করতে চাইলেও দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবে- তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য। এবং তারা নিজেদের উদ্যোগে আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে সমবেত হবে।

তিনি বলেন, ভোট দিতে না পারায় দেশের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন, ১৫৪টি আসনের প্রায় ৫ কোটি ভোটার ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে নাই। আজকে সরকারে যারা আছেন সকলেই তো বিনাভোটে নির্বাচিত মন্ত্রী এবং নেতা হয়েছেন। ভোটের মাধ্যমে তো হন নাই। সুতরাং দেশের মানুষদের যে বঞ্চিত করা হয়েছে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অবশ্যই তারা এর প্রতিশোধ নিবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে।

নির্বাচন কমিশন নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কখনোই নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করতে পারবে না, যতক্ষণ না দেশে একটি নিরপেক্ষ, নির্দলীয় সরকার থাকবে। যে সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। যেটাকে আমরা সহায়ক সরকার বলি। নির্বাচন কমিশন যতই রোডম্যাপ দিক এগুলো অর্থহীন।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশনকে পছন্দ করি না। আমরা মনে করি এই কমিশন দলীয় একপেশে, দলীয়ভাবে তাদের নিয়োগ করা হয়েছে। এই নির্বাচন কমিশনের ওপর আমাদের আস্থা নাই। 

সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ মো. হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন-বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকাস্থ সেনবাগ জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ বি এম ফারুক প্রমুখ।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৪ জুলাই ২০১৭/মামুন খান/সাইফ

Walton
 
   
Marcel