ঢাকা, মঙ্গলবার, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২১ নভেম্বর ২০১৭
Risingbd
সর্বশেষ:

পটল আবাদে লাভবান হচ্ছেন কৃষক

মো. মনিরুল ইসলাম টিটো : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৭-০৭ ৭:৪১:১৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৭-২২ ৪:০২:১৩ পিএম

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে ধান, গম ও পাটসহ অন্যান্য ফসল আবাদ করে বিভিন্ন সময়ে ক্ষতির শিকার হওয়া কৃষকেরা পটলের আবাদ করে লাভবান হচ্ছেন। ভালো দাম এবং সারা বছর চাহিদা থাকায় দিন দিন পটলের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুড়ী ইউনিয়নের কৃষক মুকা সরদার গত বছর ৩০ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে পটলের আবাদ করেন। প্রথম বছরে ব্যাপক সফলতা পান। সেই কারণে চলতি মৌসুমে তিনি বাড়িয়েছেন পটল আবাদের জমি। এ বছর ৯৫ শতাংশ জমিতে পটলের আবাদ করেছেন তিনি। মুকা সরদারের সাফল্য দেখে একই এলাকার হাতেম মাতুব্বর, গোলজার হোসেন, আমজান ব্যাপারীসহ সদর উপজেলায় শতাধিক চাষি পটলের আবাদে ঝুঁকেছেন।

কৃষকরা জানান, জমি তৈরি থেকে শুরু করে বীজ, জৈব সার, বালাইনাশক, পটলের মাচা তৈরিসহ সব মিলিয়ে এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। ফলন ভালো হলে এক বিঘা জমি থেকে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার পটল উৎপাদন হয়। তারা জানান, পটলের লতা রোপণের তিন মাসের মধ্যে পটল তোলা শুরু হয়। এক টানা সাড়ে আট মাস পটল তোলা যায়। আর পটলের চাহিদা সারা বছরই থাকে।

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, পটল উচ্চমূল্যের ফসল। সারা বছর পটলের চাহিদা থাকে। অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন সদর উপজেলায় পটলের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি জানান, সদর উপজেলার কানাইপুর, মাচ্চর ও কৈজুড়ী ইউনিয়নে চলতি বছর ব্যাপকভাবে পটলের আবাদ হয়েছে। তারা চাষিদের পটল উৎপাদনের ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা করে থাকেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ জি এম আব্দুর রউফ বলেন, ফরিদপুরে দিন দিন পটলের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতসহ সব ধরনের সহযোগিতা কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, চলতি মৌসুমে প্রায় দুইশত হেক্টর জমিতে পটল চাষ হয়েছে।

 

 

রাইজিংবিডি/ফরিদপুর/৭ জুলাই ২০১৭/মো. মনিরুল ইসলাম টিটো/বকুল

Walton
 
   
Marcel