ঢাকা, বুধবার, ১ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৭ জুলাই ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

একজোড়া থেকে এখন একটি টার্কির খামার

এম.শাহীন গোলদার : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৪-০২ ৩:০০:৩০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-০২ ৩:০০:৩০ পিএম
একজোড়া থেকে এখন একটি টার্কির খামার
Voice Control HD Smart LED

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : বছর তিনেক আগে পাশের গ্রাম থেকে একজোড়া টার্কি মুরগি কিনেছিলেন পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার গৃহিনী সাজিদা খাতুন। সেই একজোড়া এখন হয়ে উঠেছে একটি টার্কির খামার।

প্রতি মাসে ডিম ও টার্কি মুরগি বিক্রির অর্থে সংসার চলছে তার। এক সময়ের অভাবের সংসারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা।

সাজিদা খাতুন জানান, এক জোড়া টার্কি এনে পালন শুরু করার কয়েক মাস যেতেই ডিম দেওয়া শুরু করে। এরপর ক্রমেই বেড়ে চলে টার্কির সংখ্যা। সে সংখ্যা একসময় শত ছাড়িয়ে পরিনত হয় টার্কির খামারে। এখন বাণিজ্যিকভাবেই চলছে তার টার্কির খামার।

তিনি জানান, সাধারণ মুরগির মতো টার্কির রোগবালাই থাকলেও তার খামারে বড় ধরনের কোনো অসুখ-বিসুখের ঘটনা আজ পর্যন্ত হয়নি। টার্কির রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। ছয় মাসের একটি পুরুষ টার্কির ওজন হয় পাঁচ-ছয় কেজি এবং স্ত্রী টার্কির ওজন থাকে তিন-চার কেজি।

ইনকিউবেটরের মাধ্যমে ২৮ দিনেই এর ডিম ফোটানো যায়। এছাড়া দেশি মুরগির মাধ্যমে টার্কির ডিম ফোটানোর ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি এক মাসের টার্কি বাচ্চার জোড়া বিক্রি করেন আড়াই হাজার টাকায়। আর প্রতিটি ডিম বিক্রি করেন ২০০ টাকায়।

সাজিদা খাতুন জানান, টার্কির মাংসের সুখ্যাতি বিশ্বজুড়ে। এর উৎপাদন খরচ তুলনামূলক অনেক কম। তাই টার্কি পালন বেশ লাভজনক। টার্কির প্রধান খাবার ঘাস। তবে পাতাকপি, কচুরিপানা এবং দানাদার খাবারও খেয়ে থাকে এরা। প্রতি কেজি ৩০০ টাকা ধরা হলে ছয় কেজির একটি টার্কির দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০০ টাকা।

তিনি জানান, যদি কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ পান তবে খামার আরো বড় করার ইচ্ছা আছে তার।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সমরেশ চন্দ্র দাশ বলেন, টার্কি আমাদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি নতুন প্রজাতি। সাতক্ষীরায় অনেকেই এখন টার্কি পালন করছেন। এটি লাভজনক হওয়ায় খামারিরাও এ ব্যবসায় ঝুঁকছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে টার্কি খামারিদের।

 

 

 

রাইজিংবিডি/সাতক্ষীরা/২ এপ্রিল ২০১৮/এম.শাহীন গোলদার/টিপু

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       

Walton AC
Marcel Fridge