ঢাকা, বুধবার, ৬ আষাঢ় ১৪২৫, ২০ জুন ২০১৮
Risingbd
সর্বশেষ:

স্বাধীনতার মাসে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির হাতছানি, প্রয়োজন ভোট

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০২-১৬ ২:১৮:৩২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৪-০৬ ৬:১৮:১৫ পিএম
ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার- ২০১৮ এর জন্য প্রচারণার একটি চিত্র

হাসান মাহামুদ : বিশ্বের সকল দেশে আর কয়েকদিন পরেই উদযাপিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই ভাষার মাসেই জনগণের অংশগ্রহণ এবং ভোটদানের মাধ্যমে আগামী মার্চ বা স্বাধীনতার মাসে বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি (ডব্লিউএসআইএস)’ পুরস্কার ২০১৮।

ডব্লিউএসআইএস পুরস্কারকে বিবেচনা করা হয় প্রযুক্তি খাতের সম্মানজনক পুরস্কার হিসেবে। বর্তমান সরকারের অন্যতম স্লোগান ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠন করা। এ লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। এই পুরস্কার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ শ্লোগানে আরেকটি সাফল্যের পালক যোগ করতে যাচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, এরই মধ্যে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ অনন্য রেকর্ড অর্জন করেছে। গত চার বছর ধরেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক এই পুরস্কারটি পেয়ে আসছে। টানা চারবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের (এটুআই) বেশ কয়েকটি উদ্যোগ এই পুরস্কার জিতে নেয়। এবার বাংলাদেশের সামনে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রযুক্তি খাতের সম্মানজনক পুরস্কারটি পাওয়ার সুযোগ।

ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি ২০১৮ সালের এই পুরস্কার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। বর্তমানে চলছে ভোটদান রাউন্ড। এবার এ আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে দুটি উদ্যোগ মনোনীত হয়েছে। এর একটি হলো অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন ও অন্যটি দেশের অন্যতম ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্তপাঠ’।

এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে ভোট পেলেই বাংলাদেশের ঝুলিতে যোগ হতে পারে আরেকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এ ‍বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের আওতায় প্রচার চালানো হচ্ছে ‘ভাষার মাসে আসুক আরেকটি আন্তর্জাতিক অর্জন’, ‘এবারের ফাল্গুনে বাংলাদেশের জন্য আসতে পারে আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি’, ‘ভাষার মাসে আসুক আরেকটি বিজয় আপনার হাত ধরেই’।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) এবং এটুআই কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার রাইজিংবিডিকে বলেন, জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আইটিইউ প্রতিবছর তথ্যপ্রযুক্তিখাতের আন্তর্জাতিক এই পুরস্কার প্রদাণ করে। এরই মধ্যে টানা চারবার এই পুরস্কার জিতে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ সুনাম  কুড়িয়েছে। আশা করছি আমরা এবারো এই সম্মান অর্জনে সক্ষম হবো।

ফেব্রুয়ারি বাঙালির ভাষার মাস। আর এই মাসেই চলছে আন্তর্জাতিক এই পুরস্কারের ভোটদান কার্যক্রম। ১৮ ফেব্রুয়ারি যে কেউ এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত প্রকল্প ও কর্মসূচিকে ভোট দিতে পারবেন। ভোট দেওয়া যাবে অনলাইনে (https://www.itu.int/net4/wsis/prizes/2018/) এই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে।

জাতিসংঘের তথ্যপ্রযুক্তি-সংক্রান্ত বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) সদর দপ্তর জেনেভায় ১৯ থেকে ২৩ মার্চ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজয়ী উদ্যোগগুলোকে পুরষ্কৃত করা হবে।

WSIS 2018-এ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই- এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ও মুক্তপাঠ যথাক্রমে ৭ ও ৯ নং ক্যাটাগরিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

ঘরে বসেই মিলছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট : বর্তমানে ভিসা-পাসপোর্ট নবায়ন, গ্রিনকার্ড, ওয়ার্ক পারমিটসহ ভিসার আবেদনের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের আবেদন অনলাইনে করা যাচ্ছে। সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সেবাটি মানুষের ভোগান্তি ও সময় দুটোই বাঁচিয়েছে।

পুলিশের নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে এ সংক্রান্ত সব কাজ করা যাচ্ছে। একসময় এটি পেতে অনেক সময় লেগে যেত। বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগানে একে একটি অন্যতম অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানার যেকোনো একটি ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। এটি হতে হবে মহানগর পুলিশ বা জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকা। যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের দেওয়া জন্ম সনদপত্রের ফটোকপি প্রথম শ্রেণির সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে স্ক্যান করতে হবে।

দেশের বাইরে অবস্থানকারীদের পক্ষে দেশে যে কেউ এই আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন ওই দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত ফটোকপির স্ক্যানকপি প্রয়োজন। যদি ক্যুরিয়ারে করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তবে তা আবেদন ফরমে উল্লেখ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন :

১। অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে (http://pcc.police.gov.bd/en/)।

২। রেজিস্ট্রেশন করার পর লগ-ইন করে অ্যাপ্লাই (Apply) মেনুতে ক্লিক করলে একটি আবেদন ফরম আসবে। ফরমটি যথাযথ তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে।

৩। আবেদন ফরমের (Application form) আপলোড (Upload) অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যের স্ক্যানকপি আপলোড করতে হবে।

৪। এই পর্যায়ে আপনার প্রদত্ত সব তথ্য দেখানো হবে। কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়লে তা ব্যাক (Back) বাটনে ক্লিক করে পরিবর্তন করা যাবে। তবে আবেদনটি চূড়ান্তভাবে জমা দেওয়ার পর তা আর কোনো পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না।

৫। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশন ফি পরিশোধ করার জন্য পে অফলাইন (Pay Offline) বাটনে ক্লিক করতে হবে। চালানের মাধ্যমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা (Instruction) দেখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে (১-২২০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০ টাকা মূল্যমানের ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জসহ ফি দিতে হবে।

৬। চালানের মূল কপিটি আপলোড করার আগে অবশ্যই এর ওপর অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি লিখে নিতে হবে। তা না হলে আপনার পেমেন্টটি গ্রহণযোগ্য হবে না এবং আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।

 


২০১৭ সালে প্রাপ্ত পুরস্কার হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

 

আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ফরম অনলাইনে জমা দেওয়ার সময় ক্যুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ডেলিভারি নেবেন কি না, এমন একটি অপশন আসবে। সেখানে ক্লিক করলে এক সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পৌঁছে যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে ক্যুরিয়ার সার্ভিসের জন্য বাড়তি টাকা সার্টিফিকেট পাওয়ার পর তাদেরকে দিতে হবে। ক্যুরিয়ার সার্ভিসে নিতে না চাইলে সংশ্লিষ্ট থানা বা পুলিশের ওয়ানস্টপ সার্ভিসে গেলে সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।

জেনে নিন আবেদনের আপডেট : আবেদনের আপডেট পেতে আপনার মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন পিসিসিএস (PCCS)। এরপর আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর লিখে পাঠিয়ে দিন 6969 নম্বরে। ফিরতি খুদেবার্তায় (এসএমএস) পেয়ে যাবেন আপনার আবেদনের সর্বশেষ আপডেট।

সমস্যায় পড়লে নিতে পারেন সাহায্য : পুলিশ সদর দপ্তর হেল্প ডেস্ক : আপনার সমস্যার কথা ০১৭৫৫৬৬০১৭২ নম্বরে জানান (রোববার-বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত)। যেকোনো ইস্যুতে প্রথমবার কল করার পর টিকিট নম্বর জেনে নিন। একই ইস্যুতে পরবর্তী কলের ক্ষেত্রে টিকিট নম্বর উল্লেখ করুন।

ডিএমপি হেল্প ডেস্ক : ঢাকা মহানগর এলাকার আবেদনকারীরা সমস্যায় পড়লে যোগাযোগ করতে পারেন এসব নম্বরে, ০১১৯১-০০৬৬৪৪ এবং ০২-৭১২৪০০০। অথবা ডিএমপি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে কথা বলুন ০১৭১৩৩৯৮৬৮০ নম্বরে।

মুক্তপাঠ :

‘শিখুন...যখন যেখানে ইচ্ছে’ শ্লোগানে পরিচালিত এটি একটি শিক্ষক বাতায়ন। প্রধানমন্ত্রীর একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের আওতায় ‘মুক্তপাঠ’ বাংলাদেশের শিক্ষাকে সবার দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে। বর্তমানে মুক্তপাঠে এক লক্ষের অধিক শিক্ষার্থী অনলাইন কোর্সের মাধ্যমে নিজেদের পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি করছে।

ঘরে বসে প্রশিক্ষণ নিয়ে সার্টিফিকেট পেতে চান? তাও আবার সরকার স্বীকৃত, এবং বিনামূল্যে!

যদি আপনার কাছে স্মার্ট ফোন থাকে, আর ইন্টারনেট ইউজার হোন, তবে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে অনলাইন শিক্ষার আসর মুক্তপাঠ। হাউস কিপিং থেকে শুরু করে কোয়েল পালন অথবা কেঁচো সার তৈরি, গ্রাফিক ডিজাইন থেকে শুরু করে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন। আরও শিখতে পারেন ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করার পদ্ধতিও। কি নেই এখানে!

অনলাইনে যাত্রা শুরুর দুই বছরের মধ্যেই ১০৩৩০১+ শিক্ষার্থী এবং ১৯টিরও বেশি কোর্স নিয়ে চলছে মুক্তপাঠ। শিগগিরই যুক্ত হবে সমসাময়িক এবং প্রয়োজনীয় কোর্স।

এটুআই ও বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) ইতিমধ্যে দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অনলাইনে সাংবাদিকতা শেখার চারটি কোর্স চালু করছে, যার মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে কর্মরত অনেক সাংবাদিক সাংবাদিকতা বিষয়ে নিজেদের জানাশোনা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাচ্ছেন।

মুক্তপাঠ চালু হয়েছে মাত্র দুই বছর। কিন্তু এরই মধ্যে এটি অর্জন করেছে সাধারণ মানুষের আস্থা। সৃষ্টি করেছে জাতিসংঘের অধীনে বিশ্বস্বীকৃতি অর্জনের সম্ভাবনা।

প্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশের এ দুটো উদ্যোগকে অনুপ্রাণিত করতে আপনি ভোট দিন। আপনার একটি ভোট বাংলাদেশকে পর পর পঞ্চম বার আন্তর্জাতিক সম্মাননা এনে দিতে পারে।

টানা পঞ্চম বিজয়ের হাতছানি : ২০১৪ সালে প্রথম ডব্লিউএসআইএস অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল বাংলাদেশ। এই পুরস্কার তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের বড় ধরনের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়ন এবং ৫ বছরের মধ্যে মানুষের জীবনমানে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বীকৃতিস্বরূপ ওই বছর এটুআইকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। সেটাই প্রথম বাংলাদেশের কোনো উদ্যোগ যা ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটির চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়। ২০১৫ সালে এটুআইয়ের প্রকল্প ‘জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ এর জন্য বাংলাদেশ ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার অর্জন করে।

২০১৬ সালে এনজিও’স নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি)- এর নারী সাংবাদিকদের নিয়ে একটি উদ্যোগ এবং এটুআই প্রোগ্রামের ৪টি উদ্যোগ সন্মানজনক ‘ডব্লিউএসআইএস অ্যাওয়ার্ড- ২০১৬’ এর চূড়ান্ত পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এর মাধ্যমে পরপর তিনবার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের সবচেয়ে সন্মানজনক ডব্লিউএসআইএস অ্যাওয়ার্ড লাভের মাধ্যমে হ্যাট্রিকের গৌরব অর্জন করে বালাদেশ।

সর্বশেষ গত বছর একসেস টু ইনফরমেশন অ্যান্ড নলেজ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জয় করে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার। এবার বিজয়ী হলে বাংলাদেশ টানা পঞ্চমবারের মতো আন্তর্জাতিক এই পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে। ইতোমধ্যে সেই লক্ষ্যের অনেকটাই অর্জিত হয়েছে।

ভোট দিতে সহায়ক ভিডিওটি দেখতে পারেন :




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/হাসান/শাহনেওয়াজ

Walton Laptop