ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২৫ মে ২০১৭
Risingbd
নজরুল জয়ন্তী
সর্বশেষ:

আইফোনের পর আইকার!

মো. রায়হান কবির : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৭-০৪-১৬ ৫:৫৬:৫০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৭-০৪-১৬ ৫:৫৬:৫০ পিএম

মো. রায়হান কবির : অ্যাপলকে বলা হয় যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল সংস্কৃতি বদলের সবচেয়ে বড় অগ্রনায়ক। তারা আইফোনের মাধ্যমে আমেরিকাবাসীর মোবাইল ফোনের ধরন ও স্বাদ বদলে দিয়েছে।

এবার তারা নামতে যাচ্ছে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক জায়গায়। যেখানে অনেক আগে থেকেই অনেক সফল প্রতিষ্ঠান তাদের উপস্থিতি জানান দিয়েছে। যার ভেতর আছে সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তির সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি এলন মাস্কের টেসলা। আছে উবার, গুগল এবং ফোর্ডের মতো প্রতিষ্ঠান। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালো মোবাইল জগতের সবচেয়ে সফল নাম আইফোন।

অ্যাপলও যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় নামাতে চায় ড্রাইভারবিহীন গাড়ি বা চালকহীন গাড়ি। গত শুক্রবার অ্যাপল জানায়, ক্যালির্ফোনিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব মোটর ভেহিকেলস তাদের অনুমতি দিয়েছে ক্যালির্ফোনিয়ার রাস্তায় অ্যাপল তাদের ড্রাইভারবিহীন গাড়ির টেস্ট বা প্রস্তুতি চালাতে পারবে।

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, অ্যাপল এখানেও বেশ সফল হবে। কেননা তাদের প্রায় সকল প্রযুক্তি প্রযুক্তিপ্রেমীরা সাদরে গ্রহণ করেছেন। তবে এখানে তাদের জন্যে অপেক্ষা করছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় এবং সফল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, যাদের সঙ্গে টেক্কা দেয়া খুব একটা সহজ হবে বলে মনে হচ্ছে না।

অ্যাপলের পক্ষ থেকে বলা হয়, অ্যাপল মেশিন লার্নিং এবং অটোনোমাস সিস্টেমে প্রচুর বিনিয়োগ করছে। এবং তাদের বেশ কিছু কাজ এগিয়ে চলছে যার ভেতর ভবিষ্যতের বাহনও অন্তর্ভুক্ত। অটোনোমাস প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার গুজব অনেক আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল। তখন কেউ কেউ এটার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে শুক্রবারের ঘোষণার পর সকল জল্পনার অবসান হলো। এরই মাঝে আরেকটি গুজবও কিন্তু ডালপালা মেলছে। টেক পাড়ায় জোর গুজব অ্যাপল নাকি এমন এক পরিধেয় (ওয়্যারেবল) প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে যেটা রক্তপাত ছাড়াই শুধু চামড়ার স্পর্শে ডায়েবেটিস পরীক্ষা করবে।

আইফোনের কল্যাণে অ্যাপল যথেষ্ট নাম কামিয়েছে। এখন তারা পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কোম্পানির একটি। কিন্তু এখানেও একটু অস্বস্তি রয়েছে। ২০১০ সালের পর আর নতুন কোনো প্রযুক্তি তারা গ্রাহকদের দিতে পারেনি, যা তাদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারে। ২০১০ সালে আইপ্যাড ছিল সেসময়ের সাড়া জাগানো এক পণ্য। কিন্তু এরপর আর তারা তেমন কোনো ভালো প্রযুক্তি দিতে সক্ষম হয়নি। তাই এবার সেলফ ড্রাইভিং কারের ওপর নজর দিয়েছে। অ্যাপলকে প্রতিযোগিতায় পরতে হবে আরো ২৯টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। যারা ইতিমধ্যেই ক্যালির্ফোনিয়ার সড়কে তাদের সেলফ ড্রাইভিং গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়েছে।

২০১৫ সালের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, অ্যাপল অতি গোপনে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ি নিয়ে কাজ করছে, যে প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছিল ‘টাইটান’। তবে তা পরে বাদ দেয়া হয়। অর্থাৎ গাড়ির প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা অ্যাপলের নতুন কোনো বিষয় নয়। এখন দেখার বিষয় আইফোনের মতো আইকারও জনপ্রিয়তা পায় কিনা?



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ এপ্রিল ২০১৭/ফিরোজ

Walton Laptop