ঢাকা, শুক্রবার, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ১৭ আগস্ট ২০১৮
Risingbd
শোকাবহ অগাস্ট
সর্বশেষ:

চাঁদে উপনিবেশ গড়তে যাচ্ছেন জেফ বেজোস

মোখলেছুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৫-৩১ ২:৫৮:১৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৫-৩১ ৭:১৩:২১ পিএম

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক : আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, প্রযুক্তি দুনিয়ার দুই মহারথীর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই চলছে। কারণ একদিকে স্পেসএক্স সিইও ইলন মাস্ক ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৪ সালের মধ্যেই তারা মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর স্বপ্ন দেখছে। আর অন্যদিকে এবার অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজোস ঘোষণা দিয়েছেন, চাঁদে মানুষ পাঠানো এবং সেখানে স্থায়ী বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করছেন তিনি।

লস অ্যাঞ্জেলেসের স্পেস ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্সে গিকওয়ার এর অ্যালান বয়েলের সঙ্গে আলাপচারিতায় এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন বেজোস।

বেজোসের একটি বাস্তবিক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে এই পরিকল্পনার পিছনে যে, ভবিষ্যতে আমাদের কেন স্থায়ী বসতি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিবে। তার মতে, ভারী শিল্পের জন্য পৃথিবী খুব একটা ভালো জায়গা নয়।

তিনি বলেন, ‘এটি (পৃথিবীতে ভারী শিল্প স্থাপন) বর্তমানে আমাদের জন্য সুবিধাজনক হলেও, দূরবর্তী ভবিষ্যতে, কয়েক দশক পর, হয়তো ১০০ বছর পর- চাঁদে এটি করা আরো সহজ হবে যেমনটা আমরা বর্তমানে এই পৃথিবীতে করছি।’

বেজোসের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী ভবিষ্যতে এই সৌরজগতের সোলার সিস্টেমের বাইরে সোলার-চালিত স্পেস আউটপোস্টগুলোতে লাখ লাখ লোক বসবাস করবে এবং কাজ করবে। এই পৃথিবীর বাইরে বসবাসের স্থান হিসেবে চাঁদকে বেছে নেওয়ার পিছনে তার যুক্তি হলো এটি আমাদের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং এতে প্রচুর সূর্যালোক রয়েছে এবং বরফের আস্তরণ রয়েছে।

চাঁদে মানুষ পাঠাতে, বেজোস নাসার সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্লু মুন লুনার ল্যাণ্ডার নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। বেজোস জানান, এমনকি নাসা যদি অংশীদারিত্বে আসতে রাজি নাও হয় বেজোসের ব্লু অরিজিন সংস্থাটি স্পেসএক্স বা ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির মতো অন্য কোনো এজেন্সিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।

তথ্যসূত্র : ম্যাশঅ্যাবল




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩১ মে ২০১৮/ফিরোজ

Walton Laptop
 
     
Walton