ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ ফাল্গুন ১৪২৪, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Risingbd
অমর একুশে
সর্বশেষ:

‘যতদিন বেঁচে থাকব, ওয়ালটনের পণ্যই ব্যবহার করব’

আজিজুর রহমান : রাইজিংবিডি ডট কম
 
   
প্রকাশ: ২০১৮-০২-০১ ১:৫০:৫৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০২-০১ ৭:১৭:০৪ পিএম
আনোয়ার হোসেন কাজল এবং তার পরিবারের হাতে ওয়ালটনের ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার ও অন্যান্য পণ্য তুলে দেওয়া হচ্ছে

আজিজুর রহমান : ‘ওয়ালটন দেশীয় কোম্পানি হলেও এর প্রোডাক্ট বিদেশি কোম্পানির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। দাম বিদেশি ব্যান্ডের চেয়ে কম। তাদের সেবার মান অনেক ভালো। ওয়ালটনের কর্মকর্তাদের ব্যবহারে আমি অনেক খুশি। তারা গ্রাহকদের দেওয়া কথা রাখে। লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার দিয়ে তারা আমাকে সম্মানিত করেছে। এজন্য আমি যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন ওয়ালটন কোম্পানির বাইরে যাব না। ওয়ালটনের পণ্যই ব্যবহার করব।’

কথাগুলো আনোয়ার হোসেন কাজলের। তার বাড়ি নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে। জয়পুরহাট পুলিশের উপপরিদর্শক পদে চাকরি করছেন। গত ২৪ জানুয়ারি জয়পুরহাট ওয়ালটন প্লাজা থেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি ওয়ালটন টেলিভিশন কিনে ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন কাজল।

তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে আম্মার জন্য ওয়ালটনের একটি ছোট ফ্রিজ কিনেছিলাম। সেটি অনেক ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। আমার আম্মা বাড়ি গেলে ওয়ালটন ফ্রিজের গুণের কথা বলে। সেই হিসেবে আমার ইচ্ছা ছিল ইলেকট্রনিক্স কোনো পণ্য কিনলে দেশীয় এ ব্র্যান্ড থেকে কিনব। কারণ পণ্যের কোনো সমস্যা হলে হাতের কাছেই সার্ভিস পাওয়া যাবে।’

কাজল বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে একটি এলইডি টেলিভিশন কিনব বলে ভাবছিলাম। কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় সময় বের করতে পারছিলাম না। তাই গত ২৪ জানুয়ারি জয়পুরহাটের ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজারকে বলি ২০ হাজার টাকা দিচ্ছি। আপনি আমার বাসায় এ দামের একটা এলইডি টেলিভিশন পাঠিয়ে দেবেন।’

তিনি জানান, ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার তখন তাকে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন এবং ক্যাশ ভাউচারের অফার সম্পর্কে জানান। তার কথা শুনে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেন কাজল। রাতেই ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার মেসেজ যায় তার মোবাইলে।

কাজল বলেন, ‘ওই এসএমএস পাওয়া মাত্রই আমি যে কত আনন্দিত হয়েছিলাম, তা কাউকে বলে বুঝাতে পারব না। আমার বিশ্বাস ছিল ওয়ালটন গ্রাহকদের দেওয়া কথা রাখবে। কারণ তারা গ্রাহকদের সম্মান করে। এটা আমার জীবনের সর্বচেয়ে বড় পুরস্কার। এর আগে অনেক লটারি কিনেছি, কিন্তু কোনোদিন কিছু পাইনি। আজ আশা না করেও এত বড় পুরস্কার পেলাম।’

১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার দিয়ে কী কিনলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওই টাকায় ২টি ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিন, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, আয়রন, কফি মেকারসহ অনেকগুলো পণ্য নিয়েছি। সব মিলে দাম হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার টাকা। ফলে ক্যাশ ভাউচার বাদে আরো ১৯ হাজার টাকা নগদ দিয়েছি।’

এতগুলো পণ্য একসঙ্গে নেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এবং আমার পরিবার খুব খুশি। আমার আত্মীয়-স্বজনও এত খুশি আগে কখনো হয়নি। কারণ ১ লাখ টাকার যে ক্যাশ ভাউচার পেয়েছি, সেটি দিয়ে যা যা কিনেছি সব আত্মীয়-স্বজনদের দিয়েছি। তাদের উপহার দিতে পেরে আমারো খুবই ভালো লাগছে।’

উল্লেখ্য, ক্রেতাদের দোরগোড়ায় অনলাইনে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালু করেছে ওয়ালটন। এই কার্যক্রমে ক্রেতাদের অংশগ্রহণকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। ওয়ালটন প্লাজা এবং পরিবেশক শোরুম থেকে ১০ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল্যের পণ্য কিনে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করে ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাচ্ছেন ক্রেতারা। ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার এই সুযোগ থাকবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮/অগাস্টিন সুজন/এসএন

Walton
 
   
Marcel