ঢাকা, শনিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন

মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-২৭ ৪:২২:১২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-২৭ ৯:১৯:০০ পিএম
আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন
ছবি : পিআইডি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইন‌টির অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

সচিবালয়ে দুপু‌রে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

তি‌নি ব‌লেন, আজ‌কের মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আইনটির (দ্রুতবিচার আইন) একটা মেয়াদ রয়েছে। সেই মেয়াদ চলতি বছরের এপ্রিলে শেষ হয়ে গেছে। এজন্য আজকের বৈঠকে আরো ৫ বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

বারবার আইনের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে কেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখনো আইনটির কার্যকারিতা রয়েছে। অনেক স্পর্শকাতর মামলা আছে যেগুলোর দ্রুত বিচার হওয়ার দরকার।

সচিব বলেন, দ্রুতবিচার আইন ২০০২ সালে করা হয়। আইনে বলা হয়েছিল, এ আইনটি আগামী ১৭ বছর পর্যন্ত চলবে। সেই ১৭ বছর শেষ হয়েছে ২০১৯ সালে। এখন ১৭ এর জায়গায় সংশোধন করে ২২ স্থাপন করা হচ্ছে। ২০০২ সাল থেকে ২২ বছর শেষ হবে ২০২৪ সালে। অর্থাৎ এখন এ আইনটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা, যানবাহনের ক্ষতি সাধন করা, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শনসহ গুরুতর অপরাধ দ্রুততার সঙ্গে বিচারের জন্য আইনটি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে দ্রুতবিচার আইনটি প্রথম কার্যকর করা হয়। তখন বলা হয়েছিল ২ বছর পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে। পরে বিভিন্ন সময় কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২০০৪, ২০০৬, ২০১২ সালে এ আইনের কার্যকারিতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালে মেয়াদ ৫ বছর বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ গত ৭ এপ্রিল শেষ হয়।

একইসঙ্গে কাস্টমস আইন, ২০১৯-এর খসড়ারও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া একই বৈঠকে কাস্টমস আইন, ২০১৯-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটি ১৯৭৯ সালের আইন। এটি ২০১৮ সালে সংসদে দিয়েছিল সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। কিন্তু ওখানে পাস হওয়ার আগেই সংসদ শেষ হয়ে যায়। এজন্য ওটা বাতিল হয়ে যায়। একই আইন আবার নতুনভাবে নিয়ে আসা হয়েছে। এতে নতুন কিছু নেই। ২০১৮ সালে যেটা চূড়ান্ত করা হয়েছে সেটা আবার নতুনভাবে উত্থাপিত হয়েছে ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সচিব জানান, মন্ত্রিসভার বৈঠকে আ‌রো সাতটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর ম‌ধ্যে প্রখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী খালিদ হোসেন ও সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে শোক জানানো হয়। বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপে লাওসের সঙ্গে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে এবং আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।



রাই‌জিং‌বি‌ডি/ঢাকা/২৭ মে ২০১৯/নঈমুদ্দীন/বকুল/সাইফ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন