ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ০২ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ঈদে বিষমুক্ত পাহাড়ি ফল পেয়ে মুগ্ধ ক্রেতারা

মামুন চৌধুরী : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৬ ৬:৪৮:৪৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৬ ৭:১৭:০৩ পিএম

এ ঈদে হবিগঞ্জে বিষমুক্ত পাহাড়ি ফলে ক্রেতারা মুগ্ধ হয়েছেন। করোনা পরিস্থিতিতে অনেকেই বেশি বেশি ফল কিনেছেন। আর এখন হবিগঞ্জের পাহাড়ের বাতাস আর স্থানীয় হাটবাজার পাকা ফলের সৌরভে ভরে গেছে। দোকানিরা হরেক রকমের পাহাড়ি ফল পাইকারিভাবে কিনে এনে বিভিন্ন দোকানসহ রাস্তার পাশে বসে বিক্রি করছেন। আর ক্রেতারা এসব ফলের প্রতিই ঝুঁকছেন বেশি।

জেলার বিশাল অংশজুড়ে থাকা পাহাড়ি এলাকায় বিষমুক্ত ফল চাষ হয়। তাই এসব ফল ক্রয়ে ক্রেতারা এখন পাহাড়মুখী। তারা পাহাড় ও এর নিকটবর্তী হাটবাজার থেকে আম, কাঁঠাল, লিচু, লটকন, আনারস কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

জেলার বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া বাজারে লিচু ক্রয় করতে আসা হবিগঞ্জ শহরের বাসিন্দা নূরুল হক কবির জানান, বিষমুক্ত লিচু ক্রয় করেছি। এ ফলটি বাচ্চারা খুব পছন্দ করে।

তিনি বলেন, এখনও আমাদের পাহাড়ে বিষমুক্ত ফল চাষ হচ্ছে। পাহাড়ের আবহাওয়া ভালো। তাই ফল চাষে বিষ প্রয়োগ করতে হয় না। জেলার পাহাড়জুড়ে সব ফলই চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে কাঁঠাল, লিচু, আনারস, লেবু, পেঁপে, আম, জাম্বুরা, কমলা ও মাল্টা অন্যতম। পাহাড়ি ফলে বিষ দেওয়া হয় না বলে স্বাস্থের জন্যও তা ক্ষতিকর নয়।

জেলা শহরের রাস্তার পাশে বসা লিচু বিক্রেতা সুজন মিয়া বলেন, পাহাড়ি ফলের কথা জানতে পেরে ক্রেতারাও আগ্রহ করে তা ক্রয় করছেন।

শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজার এলাকায় লিচু বিক্রেতা রুবেল মিয়া বলেন, মিরপুর ও কামাইছড়া বাজারের আড়ত থেকে পাইকারিভাবে লিচু কিনে এনেছি। বিষমুক্ত বলে সবাই তা কিনছেন। তিনি জানান, হবিগঞ্জের পাহাড় ও সমতল এলাকার লিচু বেশি জনপ্রিয়।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মো. জালাল উদ্দিন জানান, জেলার নবীগঞ্জ, বাহুবল, মাধবপুর, চুনারুঘাট উপজেলায় রয়েছে অনেক পাহাড়। এসব পাহাড়ে বারো মাসই ফল চাষ হচ্ছে বিষমুক্তভাবে। তাই ক্রেতারা পাহাড়ি ফল ক্রয়ে বেশি আগ্রহী।

তিনি আরও জানান, বিষমুক্ত ফল চাষে তারা কৃষকদের নানাভাবে উৎসাহ দিচ্ছেন। তাতে কাজ হচ্ছে। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বেশি পরিমাণে ফল চাষ হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে নানাস্থানে হবিগঞ্জের ফল বিক্রি করা হচ্ছে।


হবিগঞ্জ/মো. মামুন চৌধুরী/সাজেদ

       
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : হবিগঞ্জ, সিলেট বিভাগ