ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ মাঘ ১৪২৬, ২৩ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

টাঙ্গাইলে এ বছরের হত্যা-ধর্ষণের চিত্র ভয়াবহ

শাহরিয়ার সিফাত : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-২৬ ১:২৩:০৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-২৬ ১:৪৮:৩২ পিএম

শাড়ি, চমচম আর নানা ঐতিহ্যের জেলা টাঙ্গাইল সবকিছু ছাপিয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে হত্যা আর নারী নির্যাতনে।

একের পর এক হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এই জেলার সাধারণ মানুষ।

টাঙ্গাইল জেলায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৫১ টি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪২টি হত্যাকাণ্ডে ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া বাকি ৯টি হত্যাকাণ্ডের মামলা তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে পিআইবি ও সিআইডি।

এছাড়াও গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলার ১২টি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা হয়েছে ১৩৪টি, যার মধ্যে ৯৫টি মামলাই ধর্ষণ সংক্রান্ত।

উল্লেখযোগ্য হত্যাকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে, বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি বাসাইলের নথখোলা পৌলীপাড়া মনোয়ারা বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা। ১৬ জানুয়ারি দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের সানবাড়ি এলাকায় চার ভাই ও তাদের পরিবারের লোকজনের মধ্যে টেঁটাযুদ্ধে বাদল মিয়া নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। ২৭ ফেব্রুয়ারি সখীপুরে শরীফুল ইসলাম নামের এক যুবক নিজের নববধূ রুমি আক্তারকে গলা টিপে হত্যা করে। ৮ মার্চ মির্জাপুর উপজেলায় সংঘর্ষে আজিজুল ইসলাম নামের এক সেনা সদস্য নিহত হন। ২৮ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কাঠুয়া ঝুগনি এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় মো. সানু মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তির নিহত হন। ২৮ মার্চ রাতে সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নে ৪ বছরের শিশু সন্তানের সামনেই মা রোজিনা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ৯ এপ্রিল টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদনগর ইউনিয়নের পারবুহুলী গ্রামে বাবা-মায়ের হাতে ইকবাল (২৬) নামের এক যুবক খুন হন।

১৪ এপ্রিল বৈশাখের প্রথম দিনে ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি পশ্চিমপাড়া গ্রামে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবক নিহত হন। ১৬ এপ্রিল মধুপুরে আব্দুল জলিল নামে এক ব্যবসায়ীর গলা কেটে হত্যা করে পাঁচ লাখ টাকা ছিনতাই করে তিন যুবক। ৯ মে সখীপুরের কাকড়াজান ইউনিয়নের নয়াপাড়ার পশ্চিম আরামবাগ এলাকার সামাজিক বনায়নের ভেতর থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর (৩০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৩ জুন টাঙ্গাইল পৌর সভার বেড়ারুচনা এলাকায় মহর আলী নামের এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীর মাথা ও পা বিহীন ল্যাগেজবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১০ জুন বাসাইলের হাবলা ইউনিয়নের টেঙ্গুরিয়াপাড়া গ্রামে মাসুদ নামের এক যুবক খুন করে বৃদ্ধ বাবা খোরশেদ আলমকে। ২৬ জুন দেলদুয়ার উপজেলায় এলেংজানি নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির (৪৬) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

৪ জুলাই শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় একটি বাড়ি থেকে কেয়ারটেকার শামীম হোসেন (২৫) এর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন বাসাইলের আদাজান উত্তরপাড়া এলাকা থেকে জন মিয়া (৪০) নামে ভ্যান চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়। ৯ জুলাই সদর উপজেলার কাগমারী ব্রিজের নিচে খড়ের গাদা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ। ১০ জুলাই দেলদুয়ার উপজেলার সিলিমপুর ইউনিয়নের সুবর্ণতলী গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৪০) এর হাত-পা বাধা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৩ জুলাই টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ার লৌহজং নদী থেকে সিনিয়র আইনজীবী মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মিঞা মোঃ হাসান আলী রেজার (৭৬) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৬ জুলাই মির্জাপুরের বুহুরিয়া ইউনিয়নের বেত্রাশিন গ্রামের পুকুর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ২৭ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনু মিয়া (৩০) নামে ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়। তিনি ২১ আগস্ট কালিহাতীতে মাছ ধরার জাল কিনতে গিয়ে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হন।

২ আগস্ট নাগরপুরে কাশাদহ গ্রামে মোঃ মাসুদ মিয়া (২০) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে তার বাবা ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ৬ আগস্ট দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের ভুরভুরিয়া বাজারের পাশের এক পতিত জমি থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৮ সেপ্টেম্বর কালিহাতীর গজারিয়া বিল থেকে নিখোঁজের ৪৫ দিন পর বস্তাবন্দী মোশারফ মিয়া নামের এক প্রবাসীর অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর মধুপুর উপজেলার নেকিবাড়ী গ্রামে ধানক্ষেত থেকে নার্গিস আক্তার (১৫) নামের এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর মির্জাপুরে অপহরণের পর সজীব হোসেন (১৭) নামের এক কিশোরকে গলাকেটে হত্যা করে ৫ যুবক। ২৩ সেপ্টেম্বর মধুপুরের গুলটিয়া গ্রামে মোবাইল চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে ওসমান গনি (২৮) নিহত হন। ১৩ অক্টোবর টাঙ্গাইল সদরের ভালুককান্দি এলাকায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা মা ও তার চার বছরের শিশুকে জবাই করে হত্যা করা হয়। ১৪ অক্টোবর মির্জাপুরের আজগানা বিল থেকে গৃহবধূ সুফিয়া বেগম (৪৫) এর লাশ উদ্ধার করা হয়। ২ অক্টোবর ঘাটাইলে প্রতিবেশীর সাথে ঝগড়ার সময় আঘাতে প্রাণ হারান আব্দুস সোবহান (৫৫)। ১৭ নভেম্বর গোপালপুরের হাদিরা গ্রামে মার্বেল খেলাকে কেন্দ্র করে সুজন (১০) নামের এক শিশু ব্লেড দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে শামীম (৬) নামের এক শিশুকে। ২০ নভেম্বর মির্জাপুরের ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্লা মনসুর গ্রামে ব্রীজের নিচ থেকে এনজিও কর্মী রণজিৎ কুমার পালের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই অবস্থা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ক্ষেত্রেও। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলার ১২টি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে ১৩৪টি । যার মধ্যেই ৯৫টি মামলাই ধর্ষণ সংক্রান্ত।

তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ধর্ষণ মামলা হচ্ছে, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি সখীপুরে অপহরণের পর ধর্ষণের শিকার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। ১৬ ফেব্রুয়ারি সখীপুর উপজেলায় চাচা শ্বশুর বাড়িতে বন্ধুকে নিয়ে বেড়াতে এসে বাড়ির সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া চাচাতো শ্যালিকাকে গণধর্ষণ করে আমিনুর ইসলাম (২৫)। ২২ ফেব্রুয়ারি নাগরপুরে মাহমুদনগর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে তার প্রেমিক। ২৫ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সন্তোষ এলাকা থেকে ৮ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে এক যুবক। ১১ মার্চ মধুপুর বনে প্রেমিককে বেঁধে রেখে এক কিশোরীকে গণধর্ষণ করে ৫ বন্ধু। ২৭ মার্চ সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নে চকলেটের লোভ দেখিয়ে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে দুলাল শিকদার (৩৫)। ২৯ মার্চ মির্জাপুরে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করে এক কিশোর। ১২ এপ্রিল টাঙ্গাইল পৌর শহরের ডিসি লেক এলাকায় স্বামীকে বেঁধে রেখে তার সামনেই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে ৬ যুবক। ১৪ এপ্রিল গোপালপুরে অপহরণের তিন মাস পর এক কলেজ ছাত্রীকে (১৯) উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে তিনমাস আটকে রেখে নায়িকা বানানোর কথা বলে ধর্ষণ করা হয়। ১৭ এপ্রিল গোপালপুরে পাকিস্তানী এক কিশোরী (১৭) দাদার বাড়িতে বেড়াতে এসে চাচাতো ভাইয়ের হাতে অপহরণের পর ধর্ষণের শিকার হয়। ২১ এপ্রিল সখীপুরে এক তরুণীকে অপহরণের পর বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষণ করে মোকলেছ উদ্দিন (৩৫) নামের দুই সন্তানের জনক। ২৩ এপ্রিল ধনবাড়ীতে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের পর বলৎকার করে ভিডিও ধারণ করে ৩ যুবক। ২১ মে ঘাটাইলে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে গিয়ে ২ যুবকের হাতে গণধর্ষণের শিকার হয় ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। ২১ মে মধুপুরে শতবর্ষী এক অন্ধ নারীকে ধর্ষণ করে সোহেল মিয়া (১৪) নামের কিশোর। ২৫ মে সখীপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে এক তরুনীকে বিয়ের প্রলোভনে ঢাকায় ভাড়া বাসায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এক প্রবাসী যুবক।

২৯ মে মির্জাপুরে চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে দিতে গিয়ে এনজিও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ আনেন এক কলেজ ছাত্রী। ৬ মে মির্জাপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাতনি সম্পর্কের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেন জুলহাস মিয়া নামের এক ব্যক্তি। ৮ জুন ভূঞাপুরে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মুসা নামের এক ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয় জনতা। ২১ জুন ধনবাড়ীতে চিকিৎসা করানোর কথা বলে বাক প্রতিবন্ধী এক বিধবা নারী (৩৫) কে ধর্ষণ করে মিনহাজ উদ্দিন। ২৯ জুন সখীপুরে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরীর (১৪) মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করে নির্যাতিতার মা।

১ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলে পৌর এলাকার পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ায় ১ম শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণ করে বাচ্চু মিয়া (৫০) নামের প্রতিবেশী। ৯ সেপ্টেম্বর দেলদুয়ারে ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ঘরে ঢুকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে ছানোয়ার হোসেন (১৬)। ১৬ সেপ্টেম্বর মধুপুরে ১৩ বছরের প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে বাদল (৩০) নামের যুবকের বিরুদ্ধে। ২৬ সেপ্টেম্বর কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয় প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম (৫০) এর বিরুদ্ধে। ২৬ অক্টোবর বাসাইল থানায় এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী। গত ৫ নভেম্বর বাসাইলের নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার হন এক কিশোরী। ১৯ নভেম্বর সখীপুরে ছোট ভাইকে পিইসি পরীক্ষা কেন্দ্রে দিয়ে ফেরার পথে ৮ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে নাজমুল হাসান নামের যুবক। ২০ নভেম্বর মির্জাপুরে স্কুলের যাওয়ার পথে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে ৩ যুবক।

জেলায় প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া এমন হত্যাকাণ্ড ও নারী নির্যাতন সম্পর্কে মানবাধিকার কর্মী ও জেলা জর্জ কোর্টের পিপি মো: আকবর আলী খান বলেন, ‘মোবাইল, ফেসবুক, ইমোর মতো ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রযুক্তির কারণে অনেক টিনএজ মেয়ে বিশেষ করে ১৩-১৪ বছর বয়সীরাও প্রেমের ফাঁদে পরে তাদের জীবনে বিপদ ডেকে আনছে।’

মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘টাঙ্গাইলে হত্যার মতো অপরাধ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। পুরো টাঙ্গাইল হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের অভয়ারণ্যে পরিনত হচ্ছে। তার প্রধান কারণ, ইতিপূর্বের হত্যাকাণ্ডগুলোর যে মামলা হয়েছে, তার সঠিক তদন্ত ও বিচার না হওয়া।’

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছরে অনেকটাই টাঙ্গাইলের আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে। জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের ২৫ তারিখ পর্যন্ত ৫১টি হত্যাকান্ড ঘটেছে। এসব হত্যাকান্ডে জড়িত ৯৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও আলোচিত যেসকল হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে তার সিংহভাগ আসামিই গ্রেপ্তার করে আদালতে সমর্পণ করতে সমর্থ হয়েছে পুলিশ।’

 

টাঙ্গাইল/ শাহরিয়ার সিফাত/টিপু

     
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : টাঙ্গাইল, ঢাকা বিভাগ