ঢাকা, বুধবার, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

তিশার বিপরীতে জোনায়েদের অভিষেক

আমিনুল ইসলাম শান্ত : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-৩০ ৮:৩২:২৫ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-৩০ ১০:৫৯:১৯ এএম
‘যে জীবনে কোনো গল্প থাকে না’ টেলিফিল্মের দৃশ্য

‘জোনায়েদকে একেবারে নতুন হিসেবে পেয়েছি বিষয়টি কিন্তু তা নয়। কারণ রিয়েলিটি শোয়ে গ্রুমিংয়ের সময় অভিনয়ের সংক্ষিপ্ত একটা অংশ থাকে, যেখানে সে পারফর্ম করেছে। কিন্তু এই টেলিফিল্মের মধ্য দিয়ে তার মূলত অভিনয়ে অভিষেক। নতুন হিসেবে বলব, জোনায়েদ ভালো করেছে। তার ভেতর অভিনয়ের ইচ্ছা আছে। যা সে শুটিংয়ে ঢেলে দিয়েছে।’—রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে কথাগুলো বলেন তরুণ নাট্য নির্মাতা সাইদুর রহমান রাসেল।  

আলোচিত টেলিভিশন রিয়েলিটি শো ‘কে হবেন মাসুদ রানা?’। গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন জোনায়েদ বাগদাদী। জোনায়েদকে নিয়ে সাইদুর রহমান রাসেল নির্মাণ করেছেন টেলিফিল্ম ‘যে জীবনে কোনো গল্প থাকে না’। এতে নুসরাত ইমরোজ তিশার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জোনায়েদ। এর মাধ্যমে তার অভিনয়ে অভিষেক হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেন এই নির্মাতা।   

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে এ পরিচালক বলেন, ‘শুটিং শুরুর আগে চিত্রনাট্য নিয়ে জোনায়েদের সঙ্গে বসেছিলাম। চিত্রনাট্য নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেছি। বিষয়গুলো তাকে খোলামেলা বুঝিয়েছি। আসলে জোনায়েদ সৌভাগ্যবান। কারণ অভিষেকেই তিশার মতো মেধাবী অভিনেত্রীর বিপরীতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছে। সেটে তিশা অনেক হেল্প করেছে। আমরা পুরো ইউনিট তাকে হেল্প করেছি। জোনায়েদ তার ষোলআনা না দিতে পারলেও তার যে ইচ্ছা শক্তি আছে, তা ধরে রেখে চর্চা করে গেলে ভবিষ্যতে ভালো করবে, এটা আমার বিশ্বাস।’

অভিষেকে সহশিল্পী হিসেবে তিশাকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত জোনায়েদ। তার ভাষায়, ‘তিশা আপু আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম মেধাবী অভিনেত্রী। শুটিং শুরু হওয়ার পর আমাকে বুঝতেই দেননি, বড় কোনো অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করছি। তিনি ভীষণ হেল্পফুল।’

টেলিফিল্মের গল্প প্রসঙ্গে সাইদুর রহমান রাসেল জানান, তিশা একটি বুটিক শপের কর্মী আর জোনায়েদ রেস্তোরাঁয় কাজ করে। দুজনের কর্মস্থল পাশাপাশি। কাজে আসা-যাওয়ার সময় পরস্পরের পরিচয়। পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট টাইম চাকরি করে তারা। তিশা একটি মহিলা হোস্টেলে থাকে। বুটিক শপে ডিউট শেষ করে যখন বের হয়, তখন তার হোস্টেল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে খুব তাড়াহুড়ো করে সে পথচলে। বিষয়টি খেয়াল করে জোনায়েদ। সে তিশাকে তার মোটর সাইকেলে লিফট দিতে চায়। প্রথমে রাজি হয় না। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। একপর্যায়ে তিশাকে ভালোবেসে ফেলে জোনায়েদ কিন্তু তা মুখে বলে না। ভালোই চলতে থাকে তাদের জীবন। হঠাৎ পতিতা ভেবে একদিন রাস্তা থেকে তিশাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপর শুরু হয় নানা চড়াই-উৎরাই। শুরু হয় সংগ্রাম ও টিকে থাকার লড়াই।

এমন গল্প নিয়ে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন মনিরুল ইসলাম রুবেল। সম্প্রতি নগরীর বিভিন্ন স্থানে এ টেলিফিল্মের দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর বেলা ৩টা ৫ মিনিটে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে এটি।

 

ঢাকা/শান্ত

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন