ঢাকা, রবিবার, ৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

পাঁচ টন ভেজাল সেমাই ও চানাচুর ধ্বংস

রুমন চক্রবর্তী : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-১৩ ৭:৫১:১৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-১৩ ৭:৫১:১৭ পিএম

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জ সদরে ভেজালখাদ্য তৈরি করায় দুটি কারখানা সিলগালা করে কারখানার মালিকদের সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম খোদাদাদ হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সদরের স্বল্প মারিয়া গ্রামের রাদিত সামিয়া ফুড প্রোডাক্টস নামে সেমাই কারখানায় ও মালা ফুড প্রোডাক্টস নামে চানাচুর কারখানায় অভিযান চালায়। পরে অবৈধ কারখানায় নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত চার টন সেমাই এবং এক টন চানাচুর গর্তে ফেলে ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে দুটি কারখানার অনুমোদন না থাকায় মালিককে জরিমানার পাশাপাশি কারখানা সিলগালা করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় র‌্যাব-১৪ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার এম শোভন খান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইব্রাহীম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাবের কোম্পানি অধিনায়ক এম শোভন খান জানান, রাদিত সামিয়া ফুড প্রোডাক্টসের মালিক রফিকুর রহমান বিএসটিআই-এর সনদ না নিয়ে কারখানা স্থাপন করে দীর্ঘ দিন ধরে সেমাই উৎপাদন করে আসছিলেন। কারখানার নোংরা, অপরিচ্ছন্ন ও স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেতে সেমাই তৈরির কাঁচামাল ও উপকরণ ফেলে রেখে তিনি সেমাই উৎপাদন করে যাচ্ছিলেন। সেমাইয়ে ব্যবহার করা হচ্ছিল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কেমিকেল, নিম্নমানের আটা, সোডা, পোড়াতেল, পামওয়েল, ডালডা। ঠিক একইভাবে পোড়ামবিলসহ ক্ষতিকর নানা উপকরণ দিয়ে চানাচুর উৎপাদন করছিলেন কারখানা মালিক দেলোয়ার হোসেন খান মিল্কি।

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম খোদাদাদ হোসেন জানান, পাশাপাশি দুটি কারখানার কোনোটির বিএসটিআই-এর অনুমোদন নেই। অবৈধভাবে ভেজাল সেমাই ও চানাচুর উৎপাদনের অপরাধে দুই মালিককে যথাক্রমে দুই লাখ ও  দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে কারখানার সব সেমাই ও চানাচুর বিনষ্ট করার পাশাপাশি কারখানাগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

 

 

রাইজিংবিডি/কিশোরগঞ্জ/১৩ মে ২০১৯/রুমন চক্রবর্তী/বকুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন