ঢাকা, রবিবার, ৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

বগুড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

একে আজাদ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৫ ১১:০২:৪১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৭-১৫ ১২:১৪:৪৩ পিএম

বগুড়া প্রতিনিধি : উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতি বর্ষণে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে বগুড়া জেলার সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলার নদী সংলগ্ন চরাঞ্চলে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

এক হাজারের বেশি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে সেইসব বানভাসি মানুষ। কেউ কেউ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে পানি যত বাড়ছে, পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ ততই বাড়ছে। পানি ঢুকে পড়ায় ২৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা দেখা গেছে, যমুনার ঢলে ধুনটের ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন, সারিয়াকান্দির চালুয়াবাড়ি, হাটশেরপুর, কাজলা, কর্নিবাড়ি, বোহাইল, চন্দনবাইশা, কামালপুর ও কুতুবপুর ইউনিয়ন এবং সোনাতলার পাকুল্যা ও তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের কমপক্ষে ৪০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে পাট, আউশ ধানসহ বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেত। সেই সঙ্গে পানির নিচে তলিয়ে গেছে ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফসল।

এছাড়া সোনাতলা উপজেলার খাবুলয়িারচর, সরলিয়াচর, ভিকনেরপাড়াচর, মহেশপাড়াচর, জন্তিয়ারচর এবং খাটিয়ামারিরচরের বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে খাবার ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা গেছে। অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটছে বন্যা দুর্গতদের।

এদিকে গবাদি পশু নিয়ে পানিবন্দী মানুষগুলো বিপদ আরও বেড়েছে। কোথাও শুকনো জায়গা না থাকায় বাঁশের মাচা তৈরি করে গরু ছাগল রেখেছে অনেকেই।

তবে স্থানীয় সাংসদ আব্দুল মান্নান বন্যা দুর্গতদের সহায়তার আশ্বাস দিয়ে রাইজিংবিডিকে বলেন, ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে খাবার আর পানির সংকট থাকবেনা বলেও জানান তিনি।

 

রাইজিংবিডি/বগুড়া/১৫ জুলাই ২০১৯/একে আজাদ/লাকী

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন