ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

মাটির স্বাস্থ্য ও সাগরশস্য উন্নয়নে এফএও’র অনুদান

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৯-০৪ ১০:২১:২৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৯-০৪ ১০:২১:২৪ পিএম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন-পুষ্টি নিশ্চিতকরণে ও দেশে সামুদ্রিক শৈবাল চাষের (সাগরশস্য) অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে দুটি প্রকল্পের আওতায় অনুদান দিয়েছে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

দুটি প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা অনুদান দেবে এফএও।

বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে চুক্তিতে সই করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ ও এফএও'র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন।

বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন ও পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহে প্রকল্প দুটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ‘সাপোর্ট টু সি উইড কাল্টিভেশন, প্রসেসিং অ্যান্ড মার্কেটিং থ্রো অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড ক্যাপাসিটি ডেভলপমেন্ট’ ও ‘সাসটেইনেবল সয়েল ম্যানেজমেন্ট ফর নিউট্রিশন সেনসিটিভ এগ্রিকালচার ইন সাব-সাহারান আফ্রিকা অ্যান্ড সাউথ এশিয়া’ প্রকল্পের আওতায় অনুদান চুক্তি সই হয়।

সয়েল ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের আওতায় মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধিকরণে নানা ধরণের প্রযুক্তি শেয়ার করবে এফএও। মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন হলে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহও নিশ্চিত হবে প্রকল্পের আওতায়। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করা হবে। এগুলো কৃষি জমিতে প্রয়োগ হবে। মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধির জন্য সারা দেশে জরিপ করা হবে। ফলে মাটির স্বাস্থ্যগত অবস্থা কোথায় কেমন তার একটা পরিষ্কার চিত্র উঠে আসবে। এর উপর ভিত্তি করে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাগণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন। মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি পেলে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহে ব্যপক উন্নয়ন হবে এই প্রকল্পের আওতায়। এই প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা অনুদান দেবে এফএও। চলতি সময় থেকে ২০২১ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

অন্যদিকে ১৯টি উপকূলীয় জেলায় সামুদ্রিক শৈবাল চাষ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা অনুদান দেবে এফএও। দেশের ১৯ উপকূলীয় জেলা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা প্রবণতা বেশি। দারিদ্র্য প্রবণতা বেশি। এই উপকূলীয় জেলায় অর্থনৈতিক নতুন দ্বার উন্মোচন হতে পারে শৈবাল চাষে। বর্তমানে কিছু উপকূলীয় জেলায় শৈবাল চাষ হচ্ছে। পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে উন্নত বিশ্বে শৈবালের চাহিদা রয়েছে অনেক। এ সাগরশস্য থেকে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভব।

অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, ‘এফএও কত ডলার অনুদান দিচ্ছে এটা মূখ্য বিষয় নয়। তারা (এফএও) উন্নত প্রযুক্তি আমাদের কাছে এনে দিচ্ছে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে। তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার কৃষিখাতে অনেক উন্নয়ন বয়ে আনবে। এটা কৃষিখাতের জন্য জরুরি। প্রকল্প দুটি একদিকে কৃষি জমির স্বাস্থ্যগুণ বৃদ্ধি করবে অন্যদিকে পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধি করবে। এসডিজি’র অভিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি অবদান রাখবে প্রকল্প দুটি।’


রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯/হাসান/শাহনেওয়াজ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন