ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৩ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত        রাত পোহালেই ওয়ারী লকডাউন, প্রস্তুত ডিএসসিসি        আমাদের কাছে সুমন ব্যাপারীর প্রধান পরিচয় রোগী: মিটফোর্ড পরিচালক        স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ        পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির        আগামী সপ্তাহে জুনের মজুরি পাবেন পাটকল শ্রমিকরা: পাটমন্ত্রী        করোনায় ৪২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩১১৪        সিরাজগঞ্জে ফের বেড়েছে যমুনার পানি, বন্দি দেড় লাখ মানুষ        সব রেকর্ড ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত        কষ্টের জয়ে এগিয়েই থাকলো রিয়াল       

মিশরে জরুরি অবস্থা আরো ৩ মাস বাড়ল

রাসেল পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০১-০৩ ১১:৪৫:০১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-০৩ ১১:৪৫:০১ এএম
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরো তিন মাস বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে মিশর।

রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে হেলওয়ান জেলায় শুক্রবার কপটিক খ্রিষ্টানদের ওপর দুটি হামলার পর মঙ্গলবার জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

প্রেসিডেন্ট আল-সিসি মঙ্গলবার এক ফরমান (ডিগ্রি) জারির মাধ্যমে জানিয়েছেন, ১৩ জানুয়ারি থেকে বর্ধিত মেয়াদের জরুরি অবস্থা কার্যকর হবে।

মিশরের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা মিডল ইস্ট নিউজ এজেন্সি (মেনা) জানিয়েছে, এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এই জন্য যে, নিরাপত্তা বাহিনী যাতে সন্ত্রাসবাদের বিপদ ও তাদের অর্থায়নের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে এবং দেশের সব অংশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

মিশরে দুটি গির্জায় বোমা হামলায় ৪৫ জন নিহত হওয়ার পর গত বছর এপ্রিল মাসে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন প্রেসিডেন্ট আল-সিসি। গত বছর জুলাই ও অক্টোবর মাসে দুই দফায় এর মেয়াদ বাড়ানো হয় এবং আবারো তিন মাসের জন্য তা বাড়ানো হলো।

জরুরি অবস্থা বহাল থাকা অবস্থায় বেসামিরক নাগরিকদের বিনা অভিযোগে গ্রেপ্তার ও তাদের স্টেট সিকিউরিটি ইমার্জেন্সি কোর্টে পাঠানোর অধিকার রয়েছে প্রেসিডেন্ট আল-সিসি ও তার হয়ে কাজ করা কর্তৃপক্ষের। একই ক্ষমতাবলে কোনো কারণ না দেখিয়েই যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে অনির্দিষ্টকাল আটকে রাখতে পারে নিরাপত্তা বাহিনী। জরুরি অবস্থা বহাল থাকা অবস্থায় গণজমায়েত ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত করতে পারে তারা।

মিশরের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অধিকারকর্মীরা। তারা অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট আল-সিসি ২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে।

সিনাই উপদ্বীপে সশস্ত্র বিদ্রোহী ও সরকারবিরোধী ক্যাম্পেইন মোকাবিলায় গত কয়েক বছর ধরে যুদ্ধ করতে হচ্ছে মিশর সরকারকে। গত বছর নভেম্বর মাসে সিনাইয়ের বির আল-আবেদ শহরে একটি মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলায় তিন শতাধিক মানুষ নিহত ও ১২০ জন আহত হয়। মিশরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার মধ্যে এটি একটি।

২০১৮ সালের শেষ নাগাদ মিশরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। ২০১৩ সালে দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট ও মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসেন আল-সিসি। আরো এক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে নির্বাচনে লড়বেন তিনি।

তথ্যসূত্র : আলজাজিরা অনলাইন



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩ জানুয়ারি ২০১৮/রাসেল পারভেজ