ঢাকা, সোমবার, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘের

রাসেল পারভেজ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০১-২৪ ২:২৬:৩৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০১-২৫ ৯:২৭:৫০ এএম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘের
Walton E-plaza

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিরাপত্তা ইস্যুটিকে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা।

তারা আশঙ্কা করছে, মিয়ানমারে ফেরার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আবার বিপাকে পড়বে তারা। এ ছাড়া জোরপূর্বক প্রত্যাবাসনেরও আশঙ্কা করছে তারা।

যেসব রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো হবে, তাদের তালিকাভুক্ত করে যাচাই-বাছাই করার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় পূর্ব ঘোষিত সময়ে প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানোর পর এই আহ্বান জানানো হলো।

জেনেভায় জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বলেন, ‘প্রত্যাবাসন সঠিক, টেকসই ও প্রকৃত পক্ষেই স্থিতিশীল করার জন্য... অবশ্যই কিছু ইস্যু পরিষ্কার করে বলতে হবে, যা নিয়ে এই সময় পর্যন্ত আমরা এখনো কিছু শুনিনি।’ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদানসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কিছুই স্বচ্ছভাবে বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনবাহিনী বর্বর দমন-পীড়ন ও নির্যাতন শুরু করলে জীবন বাঁচাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ৮৮ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশ আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানের সময় তাদের ঘরবাড়ি, গ্রাম, স্কুল-মসজিদ জ্বালিয়ে দেওয়ার প্রমাণ মিলেছে। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর এই অভিযানকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নিধন’ বলে অভিহিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিথার ন্যয়ের্ত বলেছেন, প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করার ধারণাটি ভালো। এ ছাড়া মিয়ানমারে জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর প্রবেশাধিকার সহজ না হওয়ায় ওয়াশিংটন উদ্বিগ্ন বলে জানান তিনি। এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত তারা নিরাপদ মনে করছে, ততক্ষণ জোর করে তাদের দেশে ফেরানো যেতে পারে না।’ তিনি আরো যুক্ত করেন, সম্প্রতিই এসব শরণার্থী হামলার শিকার হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সবাই দেশে ফিরতে চায় কিন্তু যখনই তাদের ফিরে যাওয়া নিরাপদ হবে, তখনই তারা ফিরে যেতে চাইবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস মাট্টিসও বলেছেন, গণমাধ্যমে যা উঠে আসছে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা তার চেয়েও শোচনীয়।

তথ্যসূত্র : রয়টার্স অনলাইন

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৪ জানুয়ারি ২০১৮/রাসেল পারভেজ

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       
Walton AC
Marcel Fridge