ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

সবার জন্য এক ‘মেডিসিন’ নয়

ইয়াসিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৯-০৮ ১০:১৫:৩০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৯-০৯ ৯:৩২:১০ এএম
সবার জন্য এক ‘মেডিসিন’ নয়

চট্টগ্রাম থেকে ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঘরোয়া ক্রিকেটের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাকিব আল হাসান।  তার মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেকেই ভুড়িভুড়ি রান করে জাতীয় দলে এলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাদের চার-পাঁচ রান করতেও সমস্যা হয়। আবার জাতীয় দলে যারা নিয়মিত খেলছে তাদের জন্য জাতীয় লিগ কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ খেলা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ সেটাও ভেবে দেখার কথার বলেছেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট হয় দুটি। একটি জাতীয় ক্রিকেট লিগ। যেখানে অংশগ্রহণ করে বিভাগীয় আটটি দল। আরেকটি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ। আটটি বিভাগীয় দলের সেরা খেলোয়াড় বাছাই করে জোনভিত্তিক চারটি দল তৈরি করা হয়। লিগ পদ্ধতিতে চারটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় বিসিএল। শেষ কয়েক বছরে টুর্নামেন্টের মান বেড়েছে বহুগুন। ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছে, বোলাররা উইকেট পাচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হচ্ছে বেশ। কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বীতা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক।

২০১৫ সালে তামিম, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ শেষ জাতীয় লিগ খেলেছিলেন। তামিম চারটি, মাহমুদউল্লাহ পাঁচটি ও সাকিব এক ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে মুশফিকুর রহিম খেলেছিলেন এক ম্যাচ। ঘরোয়া ক্রিকেটে তাদের অংশগ্রহণ না করায় টেস্ট ম্যাচে পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব রাখছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সাকিবের মত ভিন্ন।

‘আমি তো চার পাঁচ বছর জাতীয় ক্রিকেট লিগ বা বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ খেলিনি।  এখন বুঝতে হবে বাকিদের কী সমস্যা হচ্ছে।  এখন ওই টুর্নামেন্ট খেলেই সমস্যা হচ্ছে নাকি না খেলে সমস্যা হচ্ছে সেটা ভাবা জরুরি। ’

‘দুইটারই সমস্যা থাকতে পারে।  খেলাও একটা সমস্যা হতে পারে। ওখানে গেলে এত সহজ বোলিং আক্রমণ পেয়ে যায়, দুইশ-টুইশ করে মারে অনেকে।  চার-পাঁচটাও দুইশ হয়ে যায়।  কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের চার-পাঁচ রান করাও সমস্যা হয়ে যায়।  সেজন্য দুইটারই সমস্যা থাকতে পারে। ওটা আপনার বুঝতে হবে কার জন্য কী সমস্যাটা।  সবার জন্য এক মেডিসিন কাজ হবে এটা বলা ভুল।’

সমস্যা সমাধানে বড় পরিকল্পনা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সাকিব।

‘বিশাল পরিকল্পনা করতে হবে।  অনেক পরিকল্পনা করার আছে।  অনেক কিছু ঠিক করার আছে। প্রসেসিংটা অনেক লম্বা।  যখন আমরা খারাপ করি, তখন এগুলা নিয়ে কথা হয়। যখন আমরা ভালো করি, এগুলা সব বন্ধ হয়ে যায়। এই বিষয়গুলো ব্যালান্স করা জরুরি।’


রাইজিংবিডি/চট্টগ্রাম/৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯/ইয়াসিন/আমিনুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন