ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ভাষা আন্দোলনের অগ্রনায়ক

এসকে রেজা পারভেজ : ‘ফাঁসির কাষ্ঠে যাবার আগে আমি বলব, বাংলা আমার দেশ। বাংলা আমার মায়ের ভাষা। আমি বাঙালি। জয় বাংলা’

সংবাদপত্রের কাছের মানুষ ছিলেন বঙ্গবন্ধু

হাসান মাহামুদ : সংবাদপত্রকে বলা হয় একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ৷

স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘গ্রাম’ গড়তে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

হাসান মাহামুদ : স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন অবহেলিত রয়ে গেছে।

বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই আধুনিক কৃষির যাত্রা

এসকে রেজা পারভেজ : প্রচণ্ডরকম দুরদর্শী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝেছিলেন গতানুগতিক কৃষি ব্যবস্থা দিয়ে দ্রুত ক্রমবর্ধমান দেশের মানুষের খ্যদ্যের যোগান সম্ভব নয়।

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

হাসান মাহামুদ : ১৯৯৯ সালে সরকারি জোর প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

মহাকাব্যের বিশ্ব জয়

এসকে রেজা পারভেজ : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সময়ের আবেদন মেনে অনেক ভাষণ এসেছে। সেগুলো বদলে দিয়েছে অনেক কিছু।

বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা মুক্তির আলোকবর্তিকা

এসকে রেজা পারভেজ : বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের রোডম্যাপ মুলত রচিত হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা থেকেই। এটি ছিলো রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর দুরদর্শী একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা

হাসান মাহামুদ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির জনক। একই সঙ্গে তিনি সমাজতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থারও জনক।

ইসলামের খেদমতে বঙ্গবন্ধু

মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, একটি নতুন মানচিত্রের অমর রূপকার।

‘লেবাসসর্বস্ব নয়, আমরা বিশ্বাসী ইনসাফের ইসলামে’

মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন : ‘আমরা লেবাসসর্বস্ব ইসলামে বিশ্বাসী নই। আমরা বিশ্বাসী ইনসাফের ইসলামে।’ ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনের প্রাক্কালে পাকিস্তান বেতার ও টেলিভিশনে প্রদত্ত ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাবে দৃঢ়তার সঙ্গে একথা বলেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিময় বাঘিয়ার খাল-হিজল গাছ

বাদল সাহা, গোপালগঞ্জ : হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সেদিন বিশ্ব গণমাধ্যমে শুধু বঙ্গবন্ধু

এস‌কে রেজা পার‌ভেজ: স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি তিনি। নিজের পুরো জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন বাংলার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে।

এখনো অনুসরণ করা হয় বঙ্গবন্ধুর কূটনীতি

হাসান মাহামুদ : ব্যক্তিগত সাফল্য জাতীয় অর্জন ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো উদাহরণ বিশ্বে খুব বেশি নেই। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সেই সফলতা অর্জন করতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সোনালী আঁশ ও বঙ্গবন্ধু

আসাদ আল মাহমুদ : স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন। 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা ছিল বঙ্গবন্ধুর

এম এ রহমান মাসুম : ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ। স্বাধীনতা দিবসের পঞ্চম বার্ষিকী ছিল। সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো জনতার সামনে সবুজ চত্বরে দাঁড়িয়ে দুর্নীতিবাজদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু।