ঢাকা, সোমবার, ৮ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

শেষ ম্যাচ জিতেও শিরোপা জেতা হল না রূপগঞ্জের

আমিনুল ইসলাম : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৩ ৬:১২:৪৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৪-২৩ ৬:১২:৪৫ পিএম
শেষ ম্যাচ জিতেও শিরোপা জেতা হল না রূপগঞ্জের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শিরোপার দাবিদার ছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তারা আবাহনীর সঙ্গে দারুণ লড়াই করে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল। কিন্তু সুপার লিগের শেষ ম্যাচের আগের ম্যাচে আবাহনীর কাছে হেরে নেট রান ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে আফতাব আহমেদের শিষ্যরা।

তাতে শেষ ম্যাচের জয়-পরাজয়ের উপর নির্ভর করে আবাহানী ও রূপগঞ্জের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি। আজ মঙ্গলবার সুপার লিগের শেষ ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৮৮ রানের বড় জয় পেয়েছে রূপগঞ্জ। কিন্তু শেষ ম্যাচ জিতেও রানার্স-আপ হয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

কারণ, আবাহনী যে সৌম্য সরকারের অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি ও জহুরুল ইসলাম অমির সেঞ্চুরিতে ভর করে পেয়েছে ৯ উইকেটের বড় জয়। তাতে নেট রান রেটে রূপগঞ্জকে পেছনে ফেলে শিরোপা জিতে নিয়েছে মাশরাফি-সৌম্যদের আবাহনী।

১৬ ম্যাচে আবাহনীর জয় ১৩টিতে। রূপগঞ্জেরও তাই। আবাহনীর হার ৩টিতে। রূপগঞ্জেরও তাই। আবাহনীর পয়েন্ট ২৬। রূপগঞ্জেরও সমান ২৬। কিন্তু আবাহনীর নেট রান রেট ০.৮৬৬। আর রূপগঞ্জের ০.৫১৭। এখানেই ফয়সালা হয়ে গেছে শিরোপার।

সুপার লিগের শেষ ম্যাচে আজ মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের মুখোমুখি হয় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তারা প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মোহাম্মদ নাঈম এর ১৩৬, মেহেদী মারুফের ৫৪ ও মুমিনুল হকের ৫২ রানে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩২৭ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করে। জবাবে ৪২.১ ওভারে ২৩৯ রানে গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক।

ব্যাট হাতে প্রাইম ব্যাংকের নাহিদুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন। ৫৭ বলে ৮টি চার ও ৩ ছক্কায় এই রান করেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন রুবেল মিয়া। ৩৩টি রান করেন আরিফুল হক। ২৬টি রান আসে উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়ের ব্যাট থেকে।

বল হাতে রূপগঞ্জের মোহাম্মদ শহিদ ৬.১ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন নাবিল সামাদ ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাঈম ইসলাম।

তার আগে রূপগঞ্জের ইনিংসে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৯ রান তোলেন মেহেদী মারুফ ও মোহাম্মদ নাঈম। এই জুটি ভাঙেন আব্দুর রাজ্জাক মেহেদী মারুফকে ফিরিয়ে। মারুফ ৪৮ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রান করে ফিরে যান। এরপর মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ১১৪ রান তোলেন নাঈম। মুমিনুল হককে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাহিদুল ইসলাম। ২৪৩ রানের মাথায় ৫৯ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ রান করে ফিরে যান মুমিনুল। ২৬০ রানের মাথায় বিধ্বংসী হয়ে ওঠা নাঈমকে ফেরান নাঈম হাসান। যাওয়ার আগে ১৩০ বলে ১৯ চারে ১৩৬টি রান করে যান নাঈম। এরপর অধিনায়ক নাঈম ইসলামের ২৪, জাকের আলীর ২৭ ও মুক্তার আলীর ২২ রানের ইনিংসে ভর করে ৩২৭ রানের বড় সংগ্রহ পায় রূপগঞ্জ।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন রূপগঞ্জের সেঞ্চুরিয়ান মোহাম্মদ নাঈম।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৩ এপ্রিল ২০১৯/আমিনুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন