ঢাকা, বুধবার, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ধান সিদ্ধ-শুকানোয় ব্যস্ত তারা

হিলি (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-১২ ২:০৯:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-১২ ২:০৯:৪১ পিএম

হিলিতে রাত জেগে ধান সিদ্ধ করে সকাল থেকে ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণীরা।

রাত-দিন পরিশ্রম করেও যেন ক্লান্তি নেই তাদের। নিজ ক্ষেতের ঘরে তোলার আনন্দে ভাসছেন তারা।

আগের দিনে ধান শুকানোর জন্য কৃষকরা সমতল জমির ঘাস পরিস্কার করে গোবর আর মাটি দিয়ে লেপন করে খোলা তৈরি হতো। সেখানে কৃষাণীরা সারাদিন ধান শুকাতো। ঝড় বৃষ্টি এলে বিপদে পড়তে হতো তাদের।

এখন আর আগের মতো তৈরি করা খোলা চোখে পড়ে না। বড় মাঠে বা ছোট একটু সমতল জায়গায় নেট বিছিয়ে ধান শুকায় কৃষাণীরা। এতে করে ঝড় বৃষ্টিতে ধানের কোন ক্ষতি হয় না। স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা ধান গুছিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে পারে।

হিলির হরিহরপুরের মিল চাতালে দেখা যায়, কয়েকজন আদিবাসী নারী শ্রমিককে ধান শুকাতে। চাতালে তারা ধান বিছিয়ে দল বেঁধে এক সাথে ধান শুকাচ্ছেন।

হিলি-ঘোড়াঘাট সড়কের সুরা মসজিদ নামক স্থানের কুন্দারামপুর স্কুল মাঠেও দেখা যায় কয়েকজন কৃষাণী নেট বিছিয়ে ধান শুকাচ্ছেন।

কৃষাণী শাহিদা বেগমের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘এবার আমার স্বামী এক বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছে। গতবারের চেয়ে এবছর ফলন ভাল হয়েছে। জমির ধান কাটা মাড়াই শেষ করেছি। সারা রাত জেগে আমরা দু’জনেই মিলে এক বিঘা জমির ধান সিদ্ধ করেছি। সকালে বস্তায় করে দুইজন মিলে এই স্কুল মাঠে নিয়ে এসেছি। মাঠে নেট বিছিয়ে শুকাতে দিয়েছি। আকাশের অবস্থা ভাল আছে, সারাদিনে সব ধান শুকিয়ে যাবে। পরে মিলে ধান ভাঙাবো, আগামী আমন ধান আসা পর্যন্ত আমাদের আর কোন চিন্তা নাই।'


মোসলেম/টিপু