ঢাকা, শনিবার, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

খুলনার ৩ প্রকল্প পরিদর্শনে ভারতের প্রতিনিধিদল

: রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৬-০৬-২৩ ১০:৫৫:২২ এএম     ||     আপডেট: ২০১৬-০৬-২৩ ১২:০৫:০৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা : রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্প ও খুলনায় প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোন পরিদর্শনে এসেছে ভারতের তিনটি প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খুলনা নগরীর মাথাভাঙ্গায় খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পের নির্মাণাধীন রেলসেতুর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর আগে বুধবার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা খুলনায় পৌঁছেন।

খুলনা জেলা প্রশাসনের সূত্র জানায়, প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ভারতের এক্সটারনাল মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অজিত ভেনায়েক গুপ্ত, উপসচিব প্রেম কে নীর, আন্ডার সেক্রেটারি ভিপুল কুমার মিশ্র এবং ভারতের এক্সিম ব্যাংকের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ (কনসালটেন্ট)।

প্রতিনিধিদল খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে খুলনার দক্ষিণ প্রান্তে বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমায় প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক জোন পরিদর্শন করবেন। এরপর প্রতিনিধিদলটি বেলা ১১টার দিকে রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রামপাল উপজেলার শাপমারি, কৈগদ্দাশকাঠি ও কাপাসডাঙ্গা মৌজায় ১৮০০ একর জমির ওপর ভারত-বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের মেগা প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দিগরাজ থেকে প্রকল্প এলাকা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পথে। এ প্রকল্পে সুন্দরবনের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে বলে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আন্দোলন করে আসছে।

অপরদিকে, খুলনা-মোংলা রেলপথ প্রকল্পে লুপ লাইনসহ রেলওয়ে ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য ৮৬ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ হবে। রূপসা নদীর ওপর নির্মিত খানজাহান আলী সেতুর দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে যুক্ত হবে ৫ দশমিক ১৩ কিলোমিটার রেলসেতু। এ ছাড়া ২১টি ছোটখাটো ব্রিজ ও ১১০টি কালভার্ট নির্মিত হবে। ফুলতলা থেকে মোংলা পর্যন্ত ৮টি স্টেশন হবে। প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করছে ভারতের সিইজি নিপ্পন কোয়ি জেভি নামক প্রতিষ্ঠান।


রাইজিংবিডি/খুলনা/২৩ জুন ২০১৬/মুহাম্মদ নূরুজ্জামান/উজ্জল/ এএন

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন