ঢাকা, শনিবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

নির্মাণাধীন ট্রমা হাসপাতাল শেখ হাসিনার নামে প্রস্তাব নাসিমের

অদিত্য রাসেল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-২১ ৭:২৪:১৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-২১ ৮:১০:১৩ পিএম
নির্মাণাধীন ট্রমা হাসপাতাল শেখ হাসিনার নামে প্রস্তাব নাসিমের

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জে নির্মাণাধীন ট্রমা হাসপাতালের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার বিকেলে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে এই হাসপাতালের নাম ‘শেখ হাসিনা ট্রমা হাসপাতাল’ করার প্রস্তাব করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, ১৪ দলের মুখপাত্র ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি।

তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা ট্রমা হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি হবে উত্তরাঞ্চলের দুর্ঘটনায় আহত মানুষের উন্নত চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।’

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সয়দাবাদ ইউনিয়নের মুলিবাড়িতে নির্মাণাধীন এই হাসপাতালের নির্মাণকাজে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১১ কোটি টাকা। ১৮ মাসে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর ভাঙ্গন থেকে মানুষকে রক্ষা করেছেন, মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করেছেন, চার লেন সড়ক নির্মাণসহ অনেক মেঘা প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ করেছেন। মমতাময়ী এই নেত্রীর নামেই সিরাজগঞ্জে ট্রমা হাসপাতাল নামকরণ সময়ের দাবি। ’

তিনি এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্রও পাঠিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। এর আগে তিনি মুলিবাড়িতে জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং পরে মনসুর আলীর স্মৃতিবিজড়িত কুড়িপাড়ায় রতনকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।

ঢাকা থেকে সড়কপথে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে মুলিবাড়িতে ট্রমা হাসপাতাল নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘শিশু ও নারী নির্যাতনের অপরাধীদের বিশেষ ট্রাইবুনাল করে বিচারের মাধ্যমে তাদের ফাঁসি দিতে হবে। তবেই এদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ বন্ধ হবে। ’

নারী ও শিশু নির্যাতনের কঠোর নিন্দা জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বর্তমান সরকার জঙ্গি দমন করেছে, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।  সেখানে এদেশে নারী নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ চলতে পারে না।’

মোহাম্মদ নাসিম তাড়াশের কলেজ ছাত্রী রূপা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিৎ মৃত্যুদণ্ড। যারা ঘটনার স্বীকার করবে শুধু দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে তাদের ফাঁসি দিতে হবে। তা ছাড়া এ অপরাধ কমানো সম্ভব না। এই খুনিদের কোনোভাবেই রেহাই দেওয়া সম্ভব না। তা হলেই মাত্র বর্তমান সরকারের সুনাম হবে। ’

এ সময় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ, নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, সিরাজগঞ্জ চেম্বারের প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সুর্য্য, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারী তালুকার, প্রচার সম্পাদক শামসুজ্জামান আলো, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম, রাশেদ ইউসুফ জুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




রাইজিংবিডি/সিরাজগঞ্জ/২১ মে ২০১৯/অদিত্য রাসেল/সাইফুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন