ঢাকা, শনিবার, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

সিলেটে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

আব্দুল্লাহ আল নোমান : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৩ ১০:১৭:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৭-১৪ ১০:১৫:৫৮ এএম
সিলেটে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট: উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বর্ষণে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

নতুন করে বেশকিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। কুশিয়ারার জকিগঞ্জে দু’টি বেড়িবাঁধও ভেঙে গেছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন উপজেলার সাথে সরাসরি যান চলাচলও ব্যহত হচ্ছে। সুরমার পানি বেড়ে যাওয়ায় সিলেট নগরীর নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় পানি উঠেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, শনিবার বিকেল ৩টায় সিলেটের কানাইঘাট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫৭ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর শেওলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার, আমলসীদ পয়েন্টে ১৩৯ সেন্টিমিটার ও শেরপুর পয়েন্টে ৪৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জৈন্তাপুরের সারিঘাটে সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, শুক্রবারের চেয়ে শনিবার সিলেটের সবকটি নদীর পানি আরো বেশি  বিপৎসীমা অতিক্রম করে প্রবাহিত হচ্ছে। এ কারণে নতুন কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

শনিবার নতুন করে কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বন্যার পানিতে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

স্থানীয় সংবাদকর্মী আলাউদ্দিন রাইজিংবিডিকে জানান, শুক্রবার বিকেল থেকেই সুরমায় পানি বাড়তে ছিল। রাতে নদী উপচে কানাইঘাট পৌর সদরের বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে যায়। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি প্রবেশ করেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুসিকান্ত হাজং বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। সার্বিক বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন তদারকি করছে বলেও জানান তিনি।

গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুর আহমদ জানান, গোয়াইঘাটে সারী নদীর পানি কিছুটা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। উপজেলার বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শনিবারও বন্ধ ছিল।

সিলেট জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নুরুজ্জামান মজুমদার জানান, বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ পর্যন্ত ৫০০ মেট্রিকটন চাল, নগদ ৮ লাখ টাকা এবং দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ হয়েছে।


রাইজিংবিডি/সিলেট/১৩ জুলাই ২০১৯/আব্দুল্লাহ আল নোমান/সাইফ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন