ঢাকা, শনিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

নির্মমতা!

বরগুনা প্রতিনিধি : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-১৭ ৭:৫৩:৩৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-২৮ ৩:৪৮:১৭ পিএম
ফাইল ফটো

প্রত্যাশা ছিল এবার ছেলে-সন্তান জন্ম হবে কিন্ত এক ফুটফুটে কন্যার জন্ম হয়। এতে বাবা জাহাঙ্গীর সিকদার নাখোশ হন। তাই বলে নিজের সন্তানকে হত্যা করবেন, তা ধারণা করতে পারেননি সীমা বেগম। ৪০ দিন বয়সী জিদনীকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীর সিকদারের বিরুদ্ধে।

পারিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীরা জানান, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের জাহাঙ্গীর সিকদার ও সীমা বেগম দম্পতির দুটি মেয়ে রয়েছে। গত ৮ ডিসেম্বর সীমা বেগম আরেক কন্যার জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় জিদনী। তৃতীয় সন্তানটিও কন্যা হওয়ায় তা মেনে নিতে পারছিলেন না জাহাঙ্গীর।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জাহাঙ্গীর সিকদার কন্যা জিদনীকে নিয়ে ঘরে শুয়ে ছিলেন। সীমা বেগম এবং তার শাশুড়ি বাড়ির উঠানে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সীমা বেগম রাত ১১টার দিকে ঘরে ঢুকে জিদনীকে না পেয়ে চিৎকার করেন। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ঘরের পেছনের ডোবা থেকে জিদনীর লাশ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ রাত ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে এবং জাহাঙ্গীর সিকদারকে আটক করে। 

সীমা বেগম বলেন, জিদনীর জন্মের পর জাহাঙ্গীর তার (সীমার) সঙ্গে কথা বলতেন না। তিনি নিজ সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বাশার জানান, সীমা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। জাহাঙ্গীর সিকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহাঙ্গীর সিকদার কন্যা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।  


রুদ্র রুহান/বকুল

     
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : বরগুনা, বরিশাল বিভাগ