ঢাকা, রবিবার, ১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

সেতু নেই, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোয় পারাপার

পাবনা প্রতিনিধি : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-১৫ ৪:০৭:৩০ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-১৫ ৪:০৭:৩০ পিএম

একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে পড়েছে ১৫টি গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা প্রতি বছর নিজেদের মধ্যে চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। সেই সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে মানুষ। এমন দুর্ভোগের চিত্র পাবনার চাটমোহর উপজেলার ধানকুনিয়া গ্রামে গুমানী নদীতে।

বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থী, রোগী ও এলাকার সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে সেখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও কোনো কাজ হয়নি।

সরেজমিন ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গুমানী নদীর তীরে রয়েছে একটি বাজার, ধানকুনিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ধানকুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুল, একটি মাদ্রাসা ও কমিউনিটি ক্লিনিক। দুই পাড়ে রয়েছে ১৫টি গ্রাম। সেতুর অভাবে গ্রামের মানুষ বর্ষাকালে খেয়া নৌকায় নদী পারাপার হয়। আর শুষ্ক মৌসুমে নিজেরা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে নেয়।

সবচেয়ে বিপাকে পড়তে হয় অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়। কৃষকের আবাদকৃত ফসল হাটে-বাজারে নিয়ে বেগ পেতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকরা সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে ভয়ে থাকে।

গৌরনগর গ্রামের নাজমুল হোসেন জানান, প্রতিবার নির্বাচনের সময় আসলে জনপ্রতিনিধিরা সেতু তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান, কিন্তু নির্বাচন হয়ে গেলে খবর নেন না। ধানকুনিয়া গ্রামের ফিরোজুর রহমান জানান, বৃষ্টির দিনে বাঁশের সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে থাকে। এ সময় শিশুরা দুর্ঘটনায় পড়ে।

নিমাইচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খোকন বলেন, সেতুর অভাবে এলাকার মানুষের কষ্ট হয়। তিনি অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছেন। এলজিইডি অফিসে যোগাযোগ করেছেন। কোনো কাজ হচ্ছে না।

তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবার সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার মোহাম্মদ রায়হান বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। এ ব্যাপারে জেনে ব্যবস্থা নিতে তিনি জেলা প্রশাসককে জানাবেন।


শাহীন রহমান/বকুল

     
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : পাবনা, রাজশাহী বিভাগ