ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৩ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত        রাত পোহালেই ওয়ারী লকডাউন, প্রস্তুত ডিএসসিসি        আমাদের কাছে সুমন ব্যাপারীর প্রধান পরিচয় রোগী: মিটফোর্ড পরিচালক        স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ        পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির        আগামী সপ্তাহে জুনের মজুরি পাবেন পাটকল শ্রমিকরা: পাটমন্ত্রী        করোনায় ৪২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩১১৪        সিরাজগঞ্জে ফের বেড়েছে যমুনার পানি, বন্দি দেড় লাখ মানুষ        সব রেকর্ড ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত        কষ্টের জয়ে এগিয়েই থাকলো রিয়াল       

বেতনের দাবি: মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে শ্রমিক অসন্তোষ

হিলি সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৬ ১১:৩২:৫২ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২৭ ১২:৩৭:০২ এএম

বকেয়া বেতনের দাবিতে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কয়লা খনিতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শ্রমিকেরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)- কর্মকর্তাদের ১৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে খনি কর্তৃপক্ষ আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিকদের বকেয়াসহ চলতি মাসের বেতন পরিশোধ করার আশ্বাস দেয়। এতে শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিয়ে কর্মকর্তাদের মুক্ত করে দেন।

খনি শ্রমিকেরা জানান, মধ্যপাড়া কঠিনশিলা খনির ঠিকারদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি’র অধীনে সহস্রাধিক বাংলাদেশি শ্রমিক খনির ভূ-গর্ভ ও উপরিভাগে কাজ করেন। এসব শ্রমিককে গত ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। তাছাড়া চলতি মার্চ মাসের বেতন বকেয়া রেখে গতকাল বুধবার রাত ৯টায় খনির উৎপাদনসহ সব বিভাগের কাজ বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় জিটিসি।

জিটিসি’র ড্রিলিং এন্ড ব্লাস্টিং অপারেটর রফিকুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আমাদের শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন না দিয়ে বুধবার রাত ৯টা থেকে খনির কার্যক্রম বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।’

খনি শ্রমিক শামিম বলেন, ‘বেতন মাত্র আট থেকে ১০ হাজার টাকা। উর্দ্ধগতির বাজারে এ টাকায় শ্রমিকদের ১৫ দিনও চলে না। তারপরেও বেতন না দিয়ে খনি বন্ধ করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কবে আবার কাজ শুরু হবে তারও কোনো ঠিক নেই। এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।’

মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. কামরুজ্জামান রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘জিটিসি’র কাছে ফেব্রুয়ারি মাসের পুরো বেতন শ্রমিকদের পাওনা রয়েছে। এছাড়াও চলতি মার্চ মাসের বেতনও পাবেন তারা। ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশ করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হয়েছে। আমরা জিটিসি’র সাথে কথা বলেছি। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধ করার কথা বলে শ্রমিকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’

তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাবেদ পাটোয়ারীর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি তিনি।


মোসলেম উদ্দিন/সনি