ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০২ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

জরুরী চিকিৎসায়ও পাওয়া যাচ্ছেনা চিকিৎসক

বগুড়া সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০১ ১২:৪৯:২৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০১ ১:২৩:৩১ পিএম

বগুড়ায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলার বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এখন আর উপচে পড়া ভিড় নেই।

করোনার প্রভাবে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার স্থানগুলো বন্ধ প্রায়। ব্যক্তিগত চেম্বারেও চিকিৎসকদের উপস্থিতি নেই বলা যায়। জরুরী চিকিৎসায়ও পাওয়া যাচ্ছেনা চিকিৎসক। হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীদের। এই হচ্ছে বগুড়া জেলা শহরের বর্তমান চিত্র।

সরেজমিনে খোঁজ নিলে দেখা যায়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে রোগ নির্নয়ে জন্য নেই কোন ভিড় ।  অলস দিন কাটাচ্ছেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেকনিশিয়ান ও কর্মচারীরা। প্রতিষ্ঠিত ২/১ টি ছাড়া বেশির ভাগ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তালা ঝুলছে।

একটি প্রতিষ্ঠিত ডায়াগনস্টিক  সেন্টারের বগুড়া ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রেজওান আহম্মেদ জানালেন, তাদের সেন্টারে ২/১ জন চিকিৎসক রোগী দেখছেন। রোগ পরীক্ষা-নিরিক্ষা প্রায় শূন্যের কোঠায়  নেমে এসেছে।

তিনি জানান, তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতিদিন ৬৫ জন  চিকিৎসক নিয়মিত রোগী দেখতেন। এখন ২/৩ জন চিকিৎসক রোগী দেখছেন। তাও নিয়মিত আসছেন না।

তিনি জানান, প্রতিদিন তাদের ডায়াগনস্টিকে রোগ নির্নয়ের জন্য অন্তত ১৬শ’ রোগী আসতো। এখন তা ৫০ এ নেমে এসেছে।

অবশ্য যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকাও  রোগীদের আসতে  না পারার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তিনি।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতলের অধ্যক্ষ ও জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম জুয়েল জানান, প্রাইভেট চেম্বারে চিকিৎসকরা বসছেন না।

তিনি বলেন, ‘রোগী দেখতে গেলে রোগীদের  সামজিক দূরত্ব মেনে না চলার সম্ভাবনা  আছে। জনসমাগম এড়াতে চিকিৎসকরা প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখা বন্ধ রেখেছেন। জরুরী রোগীদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে দেখা হচ্ছে।'

জেলা সিভিল সার্জন গওসুল আযিম চৌধুরী জানান, চিকিৎসকরা সুরক্ষা ও সামাজিক দূরত্ব  নিশ্চিত করতে প্রাইভেট প্রাক্টিস বন্ধ রেখেছেন। এ ব্যাপারে জেলা বিএমএ সভা আহবান করেছে।

এদিকে করোনা আতঙ্কে রোগীরা শজিমেক হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

শজিমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, ৫শ শয্যার এই হাসপাতালে স্বাভাবিক সময়ে ১২-১৩শ রোগী ভর্তি থাকতো। হাসপাতালের মেঝেতেও রোগীর সংকুলান হতো না। হাসপাতালের আউট ডোরে রোগী আসতো  প্রায় ২৫শ । করোনার প্রভাবে এখন সেখানে  প্রতিদিন রোগী আসে একশ থেকে দেড়শ’। কোলাহল মুখর হাসাপাতাল এখন নিস্তব্ধ।

 

আখতারুজ্জামান/টিপু

     
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : বগুড়া, রাজশাহী বিভাগ
ট্যাগ :