ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ১৩ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭ ||  ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঘরমুখী মানুষের ভিড়

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৮:৪০, ১৭ মে ২০২০  
শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঘরমুখী মানুষের ভিড়

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঘরমুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

রোববার (১৭ মে) সকাল থেকেই ঘাটের উভয় পাড়ে ভিড় করেছেন যাত্রীরা। লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় তারা ফেরিতে পারাপার হচ্ছেন। এসময় সামাজিক দূরত্ব না মেনেই যাতায়াত করছেন অধিকাংশ যাত্রী।

বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক সাফায়েত আহম্মেদ।

তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর এই নৌ-রুটে চলাচলকারী ১৭টি ফেরির মধ্যে ১০টির চলাচল বন্ধ রাখা হয়। তবে, জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ও সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পারাপারের ৭টি ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করতো। বর্তমানে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ১২ থেকে ১৪টি ফেরি চালু রয়েছে।

সাফায়েত আহম্মেদ আরো জানান, ফেরিগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে আসছেন যাত্রীরা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে চড়ে ঘাটে এসে ভিড় জমাচ্ছেন। পরে পাড়ি দিচ্ছেন পদ্মানদী। সাত কিলোমিটারের এই নৌরুটে ছোট বড় যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপও রয়েছে। তবে মধ্যরাতে ছোটগাড়ি ও পণ্যবাহী গাড়ির অত্যাধিক চাপ বাড়ে। ভোর থেকে এখনও যাত্রী ও যানবাহনের সেই চাপ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, বরিশালের মুলাদীগামী যাত্রী কামাল হোসেন জানান, সরকারি সাধারণ ছুটিতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি রাজধানীতে শপিংমল, বিপণীবিতান ও মার্কেটগুলো বন্ধ থাকায় আগেভাগেই গ্রামের বাড়ি ফিরছেন।

তবে, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট ছোট যানবাহনে বিকল্প সড়ক পথে ভোগান্তি মাথায় করেই শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছতে হয়েছে তাকে। খরচ পড়ছে অতিরিক্ত টাকাও।

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর জানান, সকাল থেকেই ঢাকা ও দক্ষিণবঙ্গ উভয়মুখী যাত্রীদের চাপ রয়েছে। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া রয়েছে প্রাইভেটকার, মাইক্রো, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল রয়েছে। তবে গেল দু’দিনের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা কম রয়েছে।

 

রতন/বুলাকী

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়