ঢাকা, বুধবার, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ০৮ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নওগাঁয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি (ভিডিও)

নওগাঁ সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৭ ২:১৬:১০ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৭ ২:২৪:৪৪ পিএম

কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে নওগাঁর মান্দা, নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার, পত্নীতলা ও বদলগাছী উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) রাতে ঝড়ে ক্ষতির মুখে পড়ে এসব এলাকার মানুষ।

তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করা না গেলেও এলাকাবাসীর তথ্যমতে- এসব এলাকার দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি ও বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে ৩০ থেকে ৪০টি বৈদুতিক খুঁটি। উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চলতি মৌসুমের লিচু ও আমের। ঝড়ে বিধস্ত এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলেও এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন।

পোরশা উপজেলা সদরের মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মওদুদ আহমেদ জানান, ঝড়ে তার স্কুলের তিনটি কক্ষের টিনের চালা উড়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে শিক্ষা উপকরণেরও। এছাড়া ওই উপজেলার প্রায় অর্শত ঘরবাড়ির চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বাগানে প্রচুর আম ঝরে গেছে। এসব আম এখন পাকার সময় হয়নি।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, ‘ঝড়ে মান্দায় বেশকিছু ঘরবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে। প্রায় অধর্শত বৈদ‌্যুতিক খুঁটি উপড়ে গেছে। আমরা প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করার চেষ্টা করছি।’

এদিকে সুপার সাইক্লোন আম্ফানে জেলার আম বাগানগুলোর প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ভাগ আম ঝরে গেছে। গত রাতের কালবৈশাখী ঝড়েও বাগানগুলো নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঝড়ে পোরশায় ১০ হাজার হেক্টর আম বাগানের ৩ থেকে ৫ শতাংশ আম ঝরে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো তারা নিরূপণ করতে পারেননি।

আকস্মিক এই ঝড়ের কারণে আমের ক্ষতি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার আম চাষীরা। নওগাঁয় এ বছর প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমের চাষ করা হয়েছে। জেলায় এ বছর আম উৎপাদন হওয়ার কথা প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন।

তবে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে মুকুল কম আসা, আম্পান ও কালবৈশাখীর কারণে আম ঝরে পড়ায় এবার লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক আম উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন আমচাষী ও বাগান মালিকরা।




সাজু/সনি

       
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : নওগাঁ, রাজশাহী বিভাগ