ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৩ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ঝালকাঠিতে দুমিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড শতাধিক বসত ঘর

ঝালকাঠি সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৮ ৬:১৬:২২ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৮ ৬:১৬:২২ পিএম

ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আকস্মিক এক টর্নেডো বয়ে গেছে সদর উপজেলার কেওড়া ও কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের উপর দিয়ে।

দুই মিনিট স্থায়ীত্বের এ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে শতাধিক বসত ঘর, একটি বিদ্যালয়, মসজিদ ও মাদ্রাসা। উড়ে গেছে টিনের চাল। কয়েত শত ছোট বড় গাছ পালা ভেঙ্গে গেছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে ব্যাপকভাবে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সন্ধ‌্যার পর থেকে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল। মাঝে মাঝে ছিলো বিদ্যুতের চমক। রাত ৯টার দিকে আকস্মিক এক ঝড় আসে।

ঝড়টি কেওড়া ইউনিয়নের সারেঙ্গল, রনমতি, নৈকাঠি, আইহোর, বামনিকাঠি ও কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের তারপাশা গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যায়। মাত্র দুই মিনিটের স্থায়ী এ ঝড়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা আর ফসলের চরম ক্ষতি করে দিয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত হাফিজুর রহমান উজির বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঝড়ে আমার বসত ঘর ভেঙ্গে যায়। ঘরের টিনের চালা উড়িয়ে পুকুরে ফেলে দেয়। আমরা এখন খুব কষ্টে আছি।’

কেওড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. উজ্জ্বল খান বলেন, ‘আমাদের কেওড়া ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের উপর দিয়ে টর্নেডো বয়ে গেছে। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।’

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজী আকতার বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সাথে কথা বলে ক্ষয় ক্ষতি নিরূপনে কাজ চলছে।’

ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে দ্রুত এদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।’


অলোক সাহা/সনি

       
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : ঝালকাঠী, বরিশাল বিভাগ